শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২০, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
ঝালকাঠি মানব কল্যাণ সোসাইটির পক্ষ থেকে ডা: মোঃ রাহাত হোসেনকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান সংর্ঘষ থামাতে গিয়ে আমতলীতে বৃদ্ধ খুন অবৈধ চেকপোস্টের প্রতিবাদ করায় মাহিন্দ্রা শ্রমিকদের ওপর হামলা, বাস স্ট্রাইক শেবাচিমের করোনা ইউনিটে ৮ ঘন্টায় পাঁচজনের মৃত্যু বরিশালে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আশঙ্কা বাউফলে ২ যুবলীগ নেতা খুনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত সরকারি চাল বিতরণে অনিয়ম, বরগুনা পৌরসভার কাউন্সিলর বরখাস্ত বরিশাল র‌্যাবের অভিযানে ৫০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার বরিশালে নতুন করে ৪৫ জনের করোনা শনাক্ত, একজনের মৃত্যু কর্মস্থলে ফেরার ভিড়ে নদী বন্দরে চাপ: উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি
মুম্বইয়ের বস্তিতে অর্ধেকের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত

মুম্বইয়ের বস্তিতে অর্ধেকের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত

নতুন এক জরিপে দেখা গেছে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বইয়ে তিনটি বস্তি এলাকায় বসবাসকারীদের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। একই এলাকায় বস্তির বাইরে বসবাস করেন এমন মানুষের মধ্যে এই সংক্রমণের হার শতকরা মাত্র ১৬ ভাগ। জুলাইয়ের শুরুর দিকে ঘনবসতিপূর্ণ তিনটি এলাকায় প্রায় সাত হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে এসব ফল পাওয়া গেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে বলা হয়, ২৮ শে জুলাই পর্যন্ত মুম্বইয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে এক লাখ ১০ হাজার মানুষ। মারা গেছেন ৬১৮৭ জন। এই জরিপ পরিচালনা করেছে মিউনিসিপ্যালিটি, সরকারি থিংকট্যাংক নীতি আয়োগ এবং টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ। জরিপে দেখা গেছে ছেমবুর, মাতুঙ্গা এবং দাহিসার বস্তি এলাকায় শতকরা ৫৭ ভাগ মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।

মুম্বইয়ের পশ্চিম, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত এই তিনটি এলাকায় বসবাস করেন প্রায় ১৫ লাখ মানুষ। জরিপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা বিবিসিকে বলেছেন, ভারতের সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত এলাকায় কি পরিমাণ মানুষ করোনার মুখে এই জরিপ তাই বলে দিচ্ছে। বস্তি এলাকায় আগে যে হারে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন বলে মনে করা হয়েছিল, এই জরিপ দেখিয়ে দিয়েছে তার চেয়ে অনেক দ্রুততার সঙ্গে বিস্তার ঘটছে করোনার। মুম্বইয়ের বস্তিগুলোতে বসবাস করেন এই শহরের এক কোটি ২৫ লাখ মানুষের অর্ধেকেরও বেশি। এসব বস্তিতে উচ্চহারে করোনা সংক্রমণের কারণ হতে পারে টয়লেট শেয়ার করা। কারণ, বস্তিতে একই টয়লেট ব্যবহার করেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্সের ড. সন্দ্বীপ জুনেজা বলেছেন, এই জরিপের ফল বলে দিচ্ছে করোনা সংক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে মানুষের গাদাগাদি করে অবস্থান। এতে আরো দেখা গেছে, আক্রান্তদের বড় একটি অংশ কোনো লক্ষণ না দেখিয়েই আক্রান্ত হচ্ছেন এবং সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে সেখানে মৃত্যুর হার কম। সেখানে মৃত্যুর হার হাজারে একজন বা দু’হাজারে একজন। শহরে করোনায় মৃত্যুহারের চেয়ে এই হার অনেক কম। অনেক নারী বস্তি থেকে অথবা বস্তির বাইরে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্সের ড. উল্লাস এস কোলঠুর বলেন, এটা খুব আগ্রহোদ্দীপক ব্যাপার। এর কারণ জানি না আমরা। এর কারণ হতে পারে সামাজিক আচরণ থেকে শারীরিক দূরত্বের সঙ্গে জড়িত বিষয়। মুম্বইয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসার প্রেক্ষাপটে এই জরিপ নতুন প্রশ্ন তুলেছে, মুম্বই কি করোনা সংক্রমণে ইমিউনিটির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মঙ্গলবার সেখানে করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭১৭। তিন মাসের মধ্যে এটাই সেখানে সবচেয়ে কম সংখ্যক সংক্রমণ। সংক্রমণ বেড়েছে নাকি কমেছে তা বোঝার জন্য আগস্টে ওই তিনটি বস্তি এলাকায় আবার জরিপ করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com