মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০৭ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই ভারতীয় ভিসা চালু : হাইকমিশনার

বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই ভারতীয় ভিসা চালু : হাইকমিশনার

বাংলাদেশিদের জন্য খুব শিগগিরই ভারতীয় ভিসা চালুর আশা প্রকাশ করেছেন দেশটির বিদায়ী হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাস। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রীভা গাঙ্গুলি দাস এ কথা জানান।

ভারতে বাংলাদেশিদের জন্য কবে নাগাদ ভিসা চালু হচ্ছে জানতে চাইলে হাইকমিশনার বলেন, ‘খুব ইর্মাজেন্সি মেডিকেল ভিসা, বিজনেস ভিসা আমরা দিচ্ছি বাই এয়ার। চেষ্টা করছি এটা যত তাড়াতাড়ি নরমাল হয়। এখনো যারা খুব ইর্মাজেন্সি রোগী তাদের ভিসা দেওয়া হয়।’

সাধারণ ভিসা কবে নাগাদ চালু হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে রীভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, ‘সেটা চেষ্টা করছি আমরা। কারণ ফ্লাইটটা ঠিক নরমালি না চললে….আর এখনো তো কোভিড উঁচু-নিচু হতে থাকে। বাট উই আর ওয়ার্কিং অন ইট (কিন্তু আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি)।’

তাহলে কী সহসাই খুলছে এ রকম বলা যায়-জানতে চাইলে হাইকমিশনার বলেন, ‘হোপফুলি, হোপফুলি (আশা করা যায়)।’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে রীভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, ‘শিপিং মিনিস্ট্রির সঙ্গে আমরা খুব ক্লোজলি কাজ করি। কোভিডের সময় আমরা শিপিং মিনিস্ট্রির সঙ্গে একটা সেকেন্ড অ্যাডেনডাম পিআইডব্লিউটিটি (প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড) সাইন করেছি। ওটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা এগ্রিমেন্ট। বুঝতেই পারছেন অনেক পুরোনো, সত্তরের দশকের একটা এগ্রিমেন্টের সেকেন্ড অ্যাডেনডাম। এটা অনেকগুলো পোর্ট অব কল অ্যাড হয়েছে। দুটো নতুন রুট অ্যাড হয়েছে। এজন্য ওনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছিলাম।’

আপনি যখন বাংলাদেশে এসে শুরু করেছিলেন তখন বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কেমন ছিল, আর এখন সেটা কীভাবে দেখছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে রীভা গাঙ্গুলি বলেন, ‘খুবই স্যাটিসফ্যাক্টরি। অনেক কাজ হয়েছে। স্পেশালি যেটা অ্যামেইজিং, সেটা হলো আমরা কোভিডের মধ্যেও কত কাজ করেছি একসাথে! রিলেশনশিপটা এত ক্লোজ! আপনারা জানেন ট্রেন কীভাবে চলছে, কোনো রকমের ডিজরাপশন হয়নি সাপ্লাই চেইনে। বরং অনেক বেশি এফিসিয়েন্সি এসেছে, বাংলাদেশে রেলওয়েতে রেভিনিউ এসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে হয় আমাদের ট্রেডে কস্ট কমবে। সার্টেনলি টেকেন টাইম কমে গেছে। জিনিসপত্র আসতে-যেতে যে সময় লাগছিল, সেটা থেকে অনেক কম লাগছে। অনেক অ্যাচিভমেন্ট এই কয়েক দিনে। বলতে একটু সময় লাগবে। অনেক রকমের এগ্রিমেন্ট সাইন হয়েছে পিএমের ভিজিটের সময়। প্রাইম মিনিস্টারের খুব সফল সফর হয়েছে। অনেকগুলো প্রকল্প একসঙ্গে উদ্বোধন করেছি। তো সার্বিকভাবে এসব অর্জনে আমি খুশি।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com