বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
চরফ্যাশনে প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে উপবৃত্তি আত্মসাতের অভিযোগ ৬ দফা দাবী আদায়ে বরিশালে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ জাতীয় পতাকা দিয়ে দোকানে ছাউনি দিলেন আ’লীগ নেতা! গৌরনদীর জরাজীর্ণ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের বিভিন্ন পদ শূন্য অন্যদিকে জরাজীর্ণ ঝুঁকিতে দেড় বছরের মেয়ের গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে ধর্ষণ বরিশালে কাউন্সিলর নুর ইসলামের অত্যাচার থেতে রক্ষা পেতে আইনজীবি’র সংবাদ সম্মেলন যুদ্ধ নয় প্রতিবেশী দেশের সাথে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতে চাই: বরিশালে শেখ হাসিনা ভোলায় ১ ঘণ্টার পুলিশ সুপার স্কুলছাত্রী রিমি ঝালকাঠিতে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে ভোররাতে মা ইলিশ নিধনে নামে অসাধু জেলেরা পিরোজপুরে এ বছর বন্যা ও করোনায় কমেছে সুপারির ফলন, ঋণ চায় চাষিরা
চরফ্যাসনে স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল দলিলের অভিযোগে মামলা

চরফ্যাসনে স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল দলিলের অভিযোগে মামলা

চরফ্যাসন প্রতিনিধি ॥ চরফ্যাসনের স্কুল শিক্ষিকা বোনের বিরুদ্ধে জাল দলিল তৈরী করে জামি আত্মসাতের মামলা করেছেন চর নাংলাপাতা গ্রামের মৃত আ.হান্নান হাওলাদারের ছেলে শাহাবুল আলম। গত ১৩ অক্টোবর চরফ্যাসন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলা তদন্ত করে ২৩ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ভোলার ডিবি ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সংশ্লিষ্ট আইনজিবীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অভিযোগে বলা হয়, সালিশ রোয়েদাদ তৈরীর জন্য ৪ ফর্দ ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে পরে ওই স্ট্যাম্প ব্যবহার করে ২০১০ সনের ৭ জানুয়ারী চরফ্যাসন সাবরেজিস্ট্রি অফিসে ৬৯/১০ নম্বর দলিল রেজিস্ট্রির মাধ্যমে চর নাংলাপাতা মৌজার এসএ ৬১ ও খতিয়ানের ১৭ শতাংশ জমি জাল দলিল করে নেন। বাদি তা শাহাবুল আলম এই সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যাননি এবং কোথাও সহি স্বাক্ষর দেননি বলে আর্জিতে উল্লেখ করেন। মামলায় গ্রহীতার স্বামী আবুল কালাম আজাদ, আত্মীয় সবুজ এবং দলিল লিখক ফিরোজকে আসামী করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য ভোলার ডিবি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে দলিলের গ্রহীতা ছালেহা বেগম বলেছেন, ওই দলিলের দাতা দুই জন। ভাই শাহাবুল আলম ও মা জাহানারা বেগম আমাকে ২০১০ সনে শশীভূষণ সাব রেজিস্ট্রার অফিসে ২৫ শতাংশ জমি দলিল দেন। মামলায় এই সত্য গোপন করা হয়েছে। কোন জাল জালিয়াতি নয়। উপযুক্ত মূল্য দিয়ে যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জমি ক্রয় করে তাতে বাসা বাড়ি করে বসবাস করছি। এখানে জাল জালিয়াতির কিছু নেই। তদন্তে প্রকৃত সত্য প্রকাশ পাবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com