শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বাকেরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন-২০২০, সকল শ্রেণীপেশার মানুষের আস্থার প্রতিক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ যে পুলিশ মানুষের স্বার্থে কাজ করে না, আমরা সেই পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ গ্রহন করে থাকি-পুলিশ কমিশনার নিখোজের ২৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি মাদ্রাসা ছাত্রের ঝালকাঠি রাজাপুর ১ কিলোমিটার মাটির রাস্তা নিজ অর্থায়নে করে দিলেন তারেক মেম্বার রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট॥ আটক ১ ভান্ডারিয়ায় নারী ধর্ষন ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত বরিশালে বাক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ মা-বোনদের ইজ্জত হরন করার জন্য অপেক্ষায় থাকে কখন সন্ধ্যা হবে- জেলা বিএনপি সভাপতি চাঁন ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল ও সভা ৫ দফা দাবিতে সরকারি কলেজের বে-সরকারি কর্মচারীদের মানববন্ধন
নিখোজের ২৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি মাদ্রাসা ছাত্রের

নিখোজের ২৪ দিনেও সন্ধান মেলেনি মাদ্রাসা ছাত্রের

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নিখোঁজের ২৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র ইসমাঈল হাওলাদার মিদুলের (১৫)। নিখোঁজ মিদুল জেলার গৌরনদী উপজেলার দিয়াশুর গ্রামের মনিরুজ্জামান হাওলাদারের পুত্র। সে গৌরনদীর সীমান্তবর্তী কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ রমজানপুর গ্রামের জামেয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার হেফজ শাখায় অধ্যয়নরত ছিলো।
নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্রের পিতা মনিরুজ্জামান হাওলাদার জানান, রমজানপুর গ্রামের জামেয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসায় তার দুই পুত্র ইসমাঈল হাওলাদার মিদুল (১৫) ও গোলাম মহিয়ান (৯) হেফজ শাখায় অধ্যায়নরত। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে মিদুলের মা মাদ্রাসায় পৌঁছে ছেলেদের সাথে কথা বলে টাকা-পয়সা দিয়ে আসেন। ওইদিন রাতেই রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয় মিদুল। পরদিন সকালে মাদ্রাসার এক শিক্ষক মিদুলের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তাকে জানায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজির পর মিদুলকে না পেয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর কালকিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন তিনি (মনিরুজ্জামান)।
তিনি আরও জানান, মিদুল নিখোঁজ হওয়ার পরদিনই ওই মাদ্রাসার হেফজ শাখার শিক্ষক মাওলানা ফোরকান মাদ্রাসা থেকে চলে যায়। ওই শিক্ষকের নম্বরে দুইদিন যোগাযোগ করার পরও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি ওই মাদ্রাসার প্রধানশিক্ষক মাওলানা জাকির হোসেনের কাছে পুত্র হারানোর বিষয়ে চারদিন ফোন করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। পুত্রকে খুঁজে পাওয়ার বিষয়ে মাদ্রাসার শিক্ষকরা কোন সহযোগিতা না করায় মাদ্রাসা ছাত্র ইসমাঈল হাওলাদার মিদুলকে শিক্ষকরাই গায়েব করেছেন বলেও তিনি (মনিরুজ্জামান) উল্লেখ করেন। পুত্রকে ফিরে পেতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
ওই মাদ্রাসার হেফজ শাখার শিক্ষক মাওলানা ফোরকান জানান, ঘটনার দিন নিখোঁজ ওই ছাত্রের মা মাদ্রাসায় আসেন এবং মিদুলকে হেফজ শাখায় পড়ার জন্য চাপপ্রয়োগ করেন। এনিয়ে মিদুলের সাথে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে বোডিং খরচের টাকা দিয়ে চলে যান মিদুলের মা। ছাত্র নিখোঁজের বিষয়ে তার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। মাদ্রাসার প্রধানশিক্ষক মাওলানা জাকির হোসেন জানান, নিখোঁজ ছাত্রটি হাফেজি পড়তে চাইছিলো না। কিন্তু ঘটনার দিন ওই ছাত্রের মা মাদ্রাসায় এসে ছেলেকে হাফেজি পড়ার জন্য প্রয়োগ করেন। যার ফলে ছেলেটি পালিয়ে যেতে পারে বলে তিনি ধারনা করেন। তবে ছাত্র নিখোঁজের বিষয়ে তাদের কোন সংশ্লিষ্ট নেই বলেও উল্লেখ করেন। এবিষয়ে ডায়রী তদন্তকারী কর্মকর্তা কালকিনি থানার এসআই দিবাকর সরকার জানান, ছেলেটিকে খুজে পেতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com