শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে নয়নাভিরাম লাল শাপলার রাজ্যে বিলে ছুঁটছেন প্রকৃতি প্রেমিরা বরিশালে প্ল্যানের শর্ত ভঙ্গ করে বহুতল ভবন নির্মান: প্রায় ৬৫ লাখ টাকা জরিমানা বরিশালের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন জেলা প্রশাসন বরিশালে বেকারী ফ্যাক্টরীসহ ৭ ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে জরিমানা ঢাকা-বরিশাল নৌপথে একের পর এক খুন, যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আগৈলঝাড়ায় হা-ডু-ডু খেলা অনুষ্ঠিত গৌরনদীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ বিসিসি মেয়রের সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ বাউফলে তিন যুবলীগ নেতার হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন কুয়াকাটায় দিনমজুর, কাঠমিস্ত্রীর জমি জোর-জবরদস্তি করে দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
কুয়াকাটার সৈকতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ॥ আতংকে পর্যটক

কুয়াকাটার সৈকতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ॥ আতংকে পর্যটক

কলাপাড়া প্রতিবেদক ॥ পটর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব। এর ফলে ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছে দেশ বিদেশি আগত পর্যটক। বেশ কয়েক মাস ধরে সৈকতের বিভিন্ন পয়ে›টে ওইসব বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদাসীন রয়েছে। এসব কুকুরের দল সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে বিচারণ করছে। তবে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে বেওয়ারিশ কুকুরগুলো নিধন জরুরি বলে স্থাণীয় ও পর্যটকরা জানিয়েছেন।
সৈকতের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, ২০টির বেশি বেওয়ারিশ কুকুর এদিক-ওদিক ঘুরছে। জোয়ারে ভেসে আসা পচা মাছ খাচ্ছে। সৈকতের জিরো পয়েন্ট, শুটকী পল্লী, গঙ্গামতিসহ একাধিক স্থানে একই অবস্থা দেখা গেছে। সৈকত লাগোয়া ঝাউবাগানের ভেতরেও কুকুরের বিচরন রয়েছে। আনেক সময় বেপরোয়া কুকুর পর্যটকদের আক্রমন করছে। এছাড়া দৃষ্টি নন্দন লাল কাকড়াও ওইসব কুকুরে মেরে ফলছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পর্যটক মাহিমা আক্তার শেলি বলেন, সে সকালে হাঁটতে সৈকতে নেমেছিল। কিন্তু বেওয়ারিশ কুকুরের জন্য স্বাভাবিক হাঁটাচলা করা যাচ্ছে না। সর্বক্ষন কুকুরের আতংকে ছিলাম। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি মো. মান্নান জানান, বেশ কিছুদিন ধরে সৈকতে বেওয়ারিস কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। ওইসব কুকুরের করনে পর্যটকদের আতংকে থাকতে হয়। ফটোগ্রাফার আলী হোসেন জানান, কিছু কিছু সময় পর্যটকরা সৈততে রং ঢং করে ছবি তোলার মুহুর্তে কুকুরের উৎপাত দেখা দিলে তারা ভয় ভীতিতে থাকে। এ সময় ছবি তোলার মুড থাকেনা। কুয়াকাটা পৌর মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা জানান, কুকুর মারা সম্পূর্ন ভাবে নিষিদ্ধ। তার পরও পৌর সভার পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com