মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:১৩ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
ঝালকাঠিতে ৯০ বছরের বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার কুয়াকাটার হোটেল থেকে ট্রলার মালিকের লাশ উদ্ধার কাউকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা যাবে না : ডিসি খাইরুল আলম অনলাইন দক্ষতায় সবচেয়ে এগিয়ে বরিশাল, পিছিয়ে সিলেট বরিশালে পুলিশ সদস্যসহ আরও ১১ জনের করোনা শনাক্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয় করনের দাবিতে বিক্ষোভ স্মারকলিপি প্রদান ভান্ডারিয়ায় নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ঝালকাঠির কিশোর গ্যাং’কে সামলাবে কে? চাঁদার টাকা না দেয়ায় ব্যাবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চরফ্যাসনে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, মামলা আগৈলঝাড়ায় সাজাপ্রাপ্ত মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার
কোটা বাতিলের সুপারিশ মন্ত্রিসভায় উঠছে আজ

কোটা বাতিলের সুপারিশ মন্ত্রিসভায় উঠছে আজ

দখিনের খবর ডেক্স ॥ সরকারি চাকরিতে প্রবেশে নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোটা পদ্ধতি না রাখার সুপারিশ বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কোটা পর্যালোচনায় গঠিত কমিটির প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানোর পর সেটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। সরকারি চাকরিতে বাংলাদেশে মোট ৫৬ শতাংশ কোটা আছে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ, জেলা ও নারী কোটা ১০ শতাংশ করে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোটা পাঁচ শতাংশ এবং এক শতাংশ আছে প্রতিবন্ধী কোটা।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই মুক্তিযোদ্ধা কোটা প্রবর্তন করা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর এই কোটার সুবিধা সন্তানদেরকেও দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে তা নাতি-নাতনিদেরকেও দেয়া হয়। আর সে সময় থেকেই প্রধানত জামায়াতপন্থীরা এই কোটা বাতিলের দাবিতে একাধিকবার আন্দোলনে নেমে ব্যর্থ হয়। তবে এবার কোনো বিশেষ কোটার কথা না সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে গত ফেব্রুয়রিতে শুরু হয় আন্দোলন। তারা সব মিলিয়ে কোটা ১০ শতাংশ করার দাবি জানায়।
গত ৮ থেকে ১১ এপ্রিল নানা ঘটনার পর ১১ এপ্রিল সংসদে প্রধানমন্ত্রী বলেন কোনো কোটা থাকবে না। তবে গত ১২ জুলাই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণের বিষয়ে উচ্চ আদালতের রায় রয়েছে। এখন এটি বাতিল হলে তিনি আদালত অবমাননায় পড়বেন।
কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এ বিষয়ে সুপারিশ দিতে গত ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন হয়। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দিতে না পারার পর তিন মাস সময় বাড়ানো হয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। কমিটি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ সব কোটা বাতিলের সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেয়। আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোটা বাতিলের সুপারিশ উঠানো হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com