মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়ম বহির্ভূত মাইকিংয়ে শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ তালতলীবাসী বরিশালে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাসিক নিয়মিতকরণ দিবস পালিত কর্মকর্তা শূণ্য বরিশালের হিজলা মৎস্য অফিস : জুনিয়র দিয়েই চলছে কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছি- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফেঁসে যেতে পারেন আশরাফ আলী! তদন্ত শেষ পর্যায় বল্লেন উপজেলা ভুমি কমিশনার নলছিটিতে ব্যবসায়ীর বাসা লুট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন গৌরনদীতে অজ্ঞাত বৃদ্ধের ভাসমান লাশ উদ্ধার রাজাপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২০ পালিত চরফ্যাসনে ধর্ষকের লিঙ্গ কেটে নিজের সম্ভ্রম বাঁচালেন গৃহবধূ চরফ্যাসনে শেখ হাসিনার জন্মদিনে দুস্থদের মধ্যে এমপি জ্যাকবের খাবার বিতরণ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চাইলেই হস্তান্তর বসুন্ধরা করোনা হাসপাতাল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চাইলেই হস্তান্তর বসুন্ধরা করোনা হাসপাতাল

দখিনের খবর ডেক্স ॥ করোনা পরিস্থিতিতে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অস্থায়ীভাবে নির্মিত বসুন্ধরা করোনা হাসপাতাল সম্পূর্ণ রূপে প্রস্তুত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চাইলেই এটি হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আইসিসিবি প্রাঙ্গণে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দিন এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কিছু কাজ হয়তো বাকি আছে। কিন্তু সেটাও সময়ের ব্যাপার মাত্র। এখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি তারিখ নির্ধারণ করে দিলেই আমরা হাসপাতাল হস্তান্তর করতে পারবো। যেটুকু কাজ বাকি আছে, তা ওই বিশেষ তারিখের জন্যই, কারণ সেগুলো হস্তান্তরের আগে আগেই করতে হবে।

তবে হাসপাতালটি বুঝে পেতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগ্রহে খানিকটা খামতি দেখছেন জানিয়ে জসীম উদ্দিন বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ হাসপাতাল নির্মিত হচ্ছে, তাদের (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) জন্য। তারা তো একটা পূর্ব পরিকল্পনা করে সব কিছু বুঝে নেবে, কিন্তু তাদের মাঝে সেই আগ্রহ কেন যেন আমরা বিগত কিছুদিন যাবৎ দেখছি না। তারা বলছেন তাদের চিকিৎসক-নার্সের স্বল্পতা আছে। কিন্তু এটা তো আপৎকালীন হাসপাতাল, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য। এসময় তো প্রয়োজনে কম সংখ্যক চিকিৎসক-নার্স নিয়েও শুরু করা যায়। বিভিন্ন জায়গা থেকে চিকিৎসক-নার্সদের এখানে নিয়েও আসা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগ্রহ না দেখালে হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হতে আরও বিলম্ব হওয়ার আশংকা প্রকাশ করে এ কর্মকর্তা বলেন, একটি ড্রয়িং ম্যাপ অনুমোদন নিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি, যেমন- বেড, টেবিল, ওয়ার্ক স্টেশন এগুলো বসিয়েছি এখানে। কিন্তু ড্রয়িং ম্যাপ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা ভিন্ন। কোনো একটা যন্ত্রপাতি বা আসবাবপত্র বাস্তবে কীভাবে বসালে চিকিৎসক-নার্সদের সুবিধা হবে, এটা কিন্তু তারা এই কদিনে দেখে যেতে পারতো। বেডগুলো ঠিকভাবে বসানো হয়েছে কি না, বা বেডগুলোর মধ্যে কতটুকু ফাঁকা রাখা দরকার, সে বিষয়গুলো ঠিক আছে কি না তারা দেখতে পারতো। এখন যদি হস্তান্তরের পর তাদের কোনো কিছু পছন্দ না হয়, তাহলে এটিকে পুনর্বিন্যাস করে চালু করতে আরও সময় লেগে যাবে। হাসপাতালটিতো জরুরি ভিত্তিতে দরকার। আমরা চাচ্ছি দ্রুত হস্তান্তর করে দিতে।

এদিকে এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (ঢাকা সিটি বিভাগ) মো. মাসুদুল আলম বলেন, আমাদের ২ হাজার বেড লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ১ হাজার ৭০০ বেড বসে গিয়েছে। বাকিগুলো আজকের মধ্যেই হবে। বৃষ্টির কারণে কিছু কাজ পিছিয়েছে, তবে সেগুলো হাসপাতালের মূল কাঠামোর বাইরের কিছু কাজ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চাইলে একটা তারিখ নির্ধারণ করে বুঝে নিতে পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com