শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রিমিয়ার ব্যাংক বরিশাল শাখার উদ্যোগে নগরীতে অসহায়-দুস্থ্য মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান ঝালকাঠিতে ত্রানের জন্য হাহাকার দক্ষিণাঞ্চলের পানিতে মলের জীবাণু, বাড়ছে ডায়রিয়ায় মৃতের সংখ্যা শেবাচিমে একজন চিকিৎসক দিয়ে চলছে নার্স নির্ভর আইসিইউ রাজাপুরে পুলিশের বিরুদ্ধে নালিশ দেয়ায় গরু চুরির মামলা রেকর্ড মনপুরায় ভ্রাম্যমান গাড়ীতে স্বল্পমূল্যে দুধ ও ডিম বিক্রি চরফ্যাসন পৌর মেয়রের মহৎ উদ্যোগে করোনা আক্রান্তদের জন্য ক্রয় করলেন অক্সিজেন সিলিন্ডার কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন অসুস্থ আক্কাসকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করলো নারীর ঘর তছনছ, বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এসআইয়ের আগৈলঝাড়ায় যুব সমাজের উদ্যোগে দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
৭০০ কোটি মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছাতে লাগবে ৩-৪ বছর

৭০০ কোটি মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছাতে লাগবে ৩-৪ বছর

দখিনের খবর ডেক্স ॥ ‘লকডাউন উঠে যাবে হয়তো কয়েকদিন পরই। কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার। তা নাহলে হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষের সবার হাতে হাতে এ ভ্যাকসিন পৌঁছাতে কম করে হলেও তিন থেকে চার বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লকডাউন রাখা সম্ভবও না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন। চীন, ইতালিতেও উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে লকডাউন।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেইজ থেকে এসব কথা বলেছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। করোনা ভাইরাসের সঙ্গে টিকিয়ে থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তবে আমরা কি এভাবেই মরবো?

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যাঁ এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার। প্রতিটি যুগে যুগে এমন উত্থান হয়েছে। এক যুগে ‘ডাইনোসর’ ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারেনি বলে তারা আজ নেই। অথচ সেই জুরাসিক যুগের ‘তেলাপোকা’ এখনো টিকে আছে। কারণ সে নিজেকে ইভোলভ (ঊাড়ষাব) করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে। ম্যামথও ছিল তখন, হয়তো ‘ম্যামথ’ তার রূপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলোই ইভোল্যুশন বা বিবর্তন। তো এগুলো বলার মানে কী? এগুলো জেনে কী করবো? আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সঙ্গে ইভোলভ হতে হবে। লড়াই করে টিকে থাকতে হবে। আমাদের নিজেদেরও চেঞ্জ হতে হবে। কিছু নিয়ম মেনে চললেই এ টিকে থাকা সম্ভব।

অভ্যাস: বাজে অভ্যাসগুলা ত্যাগ করতে হবে। কথায় কথায় মুখে আঙুল দেওয়া, কলমের মুখ কামড়ানো,  আঙুল জিহ্বায় লাগিয়ে কাগজ উল্টানো, থুতু দিয়ে টাকা গোনা, ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। সঙ্গে মাস্ক পড়তে হবে এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যেস গড়ে তুলতে হবে।

২০০৩ সালে জাপানে সার্স ভাইরাসের মহামারির পর তাদের মধ্যে এ অভ্যেসগুলো গড়ে উঠেছিল, যা আজ খুব ভালো কাজ করছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে। ধূমপান যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে।

পরিবেশ: আমরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা এমন পরিবেশে আছি। নয়ত এ ঘনবসতিপূর্ণ দেশ কবেই শেষ হয়ে যেত। আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা খুব ভালো কাজ করছে। আর্দ্রতা বেশি থাকা মানে বাতাসে ধুলাবালি কম উড়বে। শীতে আর্দ্রতা কম থাকে, চারিদিক শুষ্ক থাকে বলে বেশি ধুলা ওড়ে। এজন্য শীতপ্রধান দেশে এ ভাইরাস হানা দিচ্ছে বেশি। তাই ঠান্ডা এসি এড়িয়ে চলতে হবে। এসি রুমের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ পুরো পোস্ট লেখার পেছনে এ পয়েন্টটাই দায়ী। হার্ড ইমিউনিটির বিকল্প নেই। আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বুস্ট করতেই হবে। সেটা কীভাবে? নিয়ম মাফিক ঘুমাতে হবে, রাত জাগা খুব খারাপ শরীর ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য। প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।

প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে, প্রায় ১৫-৩০ মিনিট। মাসল অ্যাক্টিভিটি বাড়াতে হবে। প্রায়ই রোদে ঘুরতে হবে ছাদে। রোদ দরকার, ভিটামিন ডি লাগবেই। ভাতে কোনো পুষ্টি নেই, উল্টো অতিরিক্ত ভাত খেলে আপনি মোটা হবেন। ভাত কম খেয়ে তরকারি এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে। প্রচুর পানি খেতে হবে। এটা খুব বাজে অভ্যাস আমরা পানি খেতে চাই না।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার খেতে হবে। শাক-সবজি খেতে হবে। প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে বাজারে যান, নয়তো ইমিউনিটির অভাবে এমনিও মরতে হবে। ভিটামিন সি বা টকযুক্ত ফল, কমলা, লেবু খেতে হবে। এছাড়াও সিজনাল ফল খেতে হবে। প্রতিদিন সকালে লেবু সেদ্ধ গরম পানি খান। ফাস্ট ফুড টোটালি অফ, চিনি কিংবা লবণ খাওয়াও কমাতে হবে।

আমাদের দেশের মশলাগুলো দারুণ কাজের। লং, লবঙ্গ, জিরা, হলুদ, দারুচিনি এগুলো মারাত্মকভাবে ইমিউনিটি বুস্ট করে। দুধে হলুদ মিশিয়ে খাবেন, হলুদ অনেক কাজের। চায়ে মশলা মিশিয়ে খাবেন। গ্রিন টি (অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট) বেস্ট, গ্রিন টি তে এ মশলাগুলো খেলে অনেক ভালো। কালিজিরা কার্যকরী একটা জিনিস। প্রতিদিন সকালে উঠে এক চামচ মধুর সঙ্গে কালিজিরা অনেক বেটার একটা কম্বিনেশন। এছাড়া কালিজিরা ভর্তা/ভাজি খাবারের সঙ্গেও খেতে পারেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সঠিক হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখা খুব জরুরি। তাই মন শান্ত রাখতে হবে, হাসি-খুশি থাকতে হবে। ধর্মীয় প্রার্থনায় মন দিন, মন সুন্দর থাকবে। সবাই ভালো থাকুক, সবাই সুস্থ থাকুক। সবাইকে নিয়েই বাঁচতে চাই। বাকিটুকু আল্লাহ ভরসা।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com