বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:৩০ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
পটুয়াখালীতে এসডিএফ ও উপজেলা মৎস্য অফিস কতৃক প্রান্তিক জেলেদের জীবনমান উন্নয়ন মূলক সভা অনুষ্ঠিত জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের বহুমাত্রিক উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে-এমপি শাওন চরফ্যাসনে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর বিরুদ্ধে সাবেক স্বামীকে হয়রানীর অভিযোগ চরফ্যাসনে ভুমিহীন পরিবারকে জমি থেকে উচ্ছেদে চেষ্টার অভিযোগ জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে পিরোজপুরের ভা-ারিয়ায় আলোচনা সভা বিএমপি পুলিশের মোবাইল নম্বর পরিবর্তন আগৈলঝাড়ায় একটি বিদ্যালয়ে তিন ঘন্টার পরীক্ষা হচ্ছে চব্বিশ ঘন্টায় আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র সুস্থ্যতা কামনায় আগৈলঝাড়ায় দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত নাজিরপুরে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র সুস্থতা কামনায় সম্পাদক পরিষদ বরিশালের উদ্যোগে দোয়া-মোনাজাত
ব্যবসায়ীদের চাপ কমাতে ২০০০ কোটি টাকার ভর্তুকি

ব্যবসায়ীদের চাপ কমাতে ২০০০ কোটি টাকার ভর্তুকি

দখিনের খবর ডেস্ক ‍॥ মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই মাসে দেশের অসংখ্য ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সেই ক্ষতির পরিমাণ কমাতে এবার তাদের ঋণের প্রায় ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকার সুদের মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে করোনাকালীন সময়ে এখন পর্যন্ত সরকারের প্রণোদনা তহবিলের মোট আকার বেড়ে দাঁড়ালো এক লাখ ৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকা বা প্রায় ১২ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। যা দেশের জিডিপির ৩.৭ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে গত দুই মাসে অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ ছিল। এখন এই ভর্তুকি দেয়ার ফলে কমপক্ষে এক কোটি ৩৮ লাখ ঋণগ্রহীতা সরাসরি উপকৃত হবেন। এই সুযোগটা দেয়ার ফলে তারা আবার তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে পারবেন।

তিনি বলেন, দুই মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে স্থগিত সুদের পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্য থেকে ২ হাজার কোটি টাকা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি হিসেবে দেবে সরকার। যার ফলে ঋণগ্রহীতাদের আনুপাতিক হারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সুদ আর পরিশোধ করতে হবে না। তাদেরকে এইটুকু মুক্ত করে দিচ্ছি।

সরকার প্রধান বলেন, সুদের বাকি টাকা ব্যবসায়ীরা ১২ মাসের কিস্তিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে পরিশোধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যেটা প্রতি মাসে দিতে হতো সেটাকে আমরা ১২ মাসের একটা সময় দিয়ে দিচ্ছি। এই সময়ের মধ্যে ধীরে ধীরে তারা বাকি টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।

‘সর্বস্তরের মানুষের জন্যই বিশেষ প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। আমি জানি না, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ এভাবে দিয়েছে কি না। কিন্তু আমরা এই সুযোগটা দিচ্ছি। আমাদের জিডিপির ৩.৭ শতাংশই আমরা প্রণোদনা হিসেবে দিচ্ছি,’ যোগ করেন তিনি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com