বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা বানারীপাড়া পৌর শহরে প্লান পাশহীন ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ ৩দিন বাকি স্বরূপকাঠি পৌরসভার নির্বাচনের – জনপ্রিয়তা নিয়ে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ আবুল কালাম আজাদ সকলের সুনজরে বোরহানউদ্দিনে কাউন্সিলর প্রার্থী কাসেম সমর্থকদের উপর প্রতিপক্ষের হামলা, আহত -৪ নগরীতে ছাত্র ফ্রন্ট এর বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরের স্বরুপকাঠিতে আগুনে পুড়ে ছাই ৬ বসতঘর কলাপাড়ায় আধুনিক পদ্ধতিতে ক্ষেতে বীজ রোপণ ভোলায় করোনা ভ্যাকসিন পাচ্ছেন ৩৭ হাজার ব্যক্তি যত দ্রুত সম্ভব ভারতে ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হবে : দোরাইস্বামী বরিশালে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজড করার পদক্ষেপ
কোনো অবস্থাতেই পোশাক শ্রমিকদের ছাঁটাই করা যাবে না : মান্না

কোনো অবস্থাতেই পোশাক শ্রমিকদের ছাঁটাই করা যাবে না : মান্না

দখিনের খবর ডেস্ক ॥ নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, করোনা মহামারির মধ্যে বিজিএমইএর সভাপতি পোশাক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। এর স্বপক্ষে যুক্তি উপস্থাপনও আমাকে বিস্মিত করেছে। বছরের পর বছর ধরে যে শ্রমিকদেও শ্রমকে পুঁজি করে এই পোশাকশিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, সেই শ্রমিকদের এই দুঃসময়ে কর্মহীন করা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কোনো অযুহাতেই পোশাক শ্রমিকদের ছাটাই করা যাবে না। আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতের কাঁচামাল প্রধানত আমদানি নির্ভর। অর্থাৎ আমরা পোশাক শিল্প থেকে যা আয় করি তা শুধুমাত্র পোশাক শ্রমিকদের শ্রমের মূল্য। কিছু অর্ডার বাতিল হয়েছে, সেই বাতিল অর্ডারের কিছু আবার ফিরেছে। হয়তো আরো ফিরবে। চলতি বছরে পোশাক শিল্পের আয় ২৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৩.১ বিলিয়ন ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছিল যার ২৬ শতাংশ এখন পর্যন্ত ফেরানো গেছে। এত বছর ধরে যে শ্রমিকদের শ্রম বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি অগ্রসর হয়েছে এবং মালিকেরা ধনী থেকে ধনকুবের হয়েছেন, সেই শ্রমিকদের এই মহামারির সময়ে ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ এবং নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
তিনি বলেন, বিজিএমইএ সভাপতি নিজেই বলেছেন, এখনো ১৮ হাজার শ্রমিকের কয়েক মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। শ্রমিকদের জন্য তহবিল গঠনের জন্য সরকারের সাথে বসা হবে। শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের অর্থ কি যথেষ্ট ছিল না? সে বিষয়ে তো আপনারা কিছু বলছেন না। সরকারের সাথে বসে পোশাক শ্রমিকদের বিষয়ে গঠনমূলক সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিজিএমইএকে। কোনভাবেই পোশাক শ্রমিকদের ছাঁটাই করা যাবে না।
ডাকসুর সাবেক এই ভিপি বলেন, প্রত্যেক শ্রমিকের বকেয়া বেতন চলতি জুন মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। যারা ইতিমধ্যে চাকরি হারিয়েছেন, তাদের শ্রম আইন অনুযায়ী বেতন বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের পুনঃনিয়োগের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর এই সকল বিষয়ে পোশাক কারখানা মালিকদের সহযোগিতা করার জন্য সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় পোশাক খাতের এই অস্থিরতা যে পরিস্থিতি তৈরি করবে তা সামাল দেয়া সরকারের পক্ষে সম্ভব হবে না। বিজিএমইএ সভাপতিকে ধন্যবাদ জানাই শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য। আশা করি, স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবিকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে সরকারের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধান করবেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com