শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
নদীভাঙন হুমকিতে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, পথে বসেছে হাজারও পরিবার পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার পটুয়াখালী পৌরসভার সাবেক মেয়রের শত কোটি টাকা দুর্নীতি, তদন্তে নামছে দুদক বরিশালে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড বরিশাল বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থগারে নেই বই প্রেমিক মীরগঞ্জে নদী ভাঙ্গনে মসজিদ-বসতভিটা ও রাস্তা বিলীন : সাঁকো দিয়ে চলাচল! উজিরপুরে এসিল্যান্ডকে ঘুষ দিয়ে জেলে গেলেন বৃদ্ধ বরিশালে খাস জমি দখল করে এলজিইডির বাজার উন্নয়ন! বরিশাল বিআরটিএ’তে দুই বছর আটকে আছে আড়াই হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স বরিশালে করোনার ধকল কাটিয়ে শুরু হচ্ছে শব্দাবলী স্টুডিও থিয়েটারে মঞ্চ নাটক
তজুমদ্দিনে করোনার মধ্যেও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চলছে কোচিং বাণিজ্য

তজুমদ্দিনে করোনার মধ্যেও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চলছে কোচিং বাণিজ্য

তজুমদ্দিন প্রতিবেদক ॥ ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় মহামারী করোনার মধ্যে সরকারী বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বন্ধ হয়নি প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য। এক ধরনের অর্থলোভী শিক্ষক দীপক কুমার দাস কোমলমতি শিক্ষার্থীদের গণজামায়েত করে চালিয়ে যাচ্ছেন তার প্রাইভেট ও কোচিং। সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে মারণঘাতী করোনার (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে গত ১৬ মার্চ ২০ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং ও প্রাইভেট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। কিন্তু তজুমদ্দিনে কিছু অর্থলোভী শিক্ষক দীপক কুমার দাস সরকারের এই নির্দেশনাকে অমান্য করে স্কুলের মধ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন প্রাইভেট কোচিং। সরকারের নির্দেশনা অমান্যকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি সংশ্লষ্ট প্রশাসনকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- কোচিংয়ের প্রতিটি ব্যাচে ১৫-২০জন শিক্ষার্থীকে জড়ো করে পড়াচ্ছেন গত কয়েকদিন যাবৎ এ উপজেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েই চললেও বন্ধ হয়নি কোচিংবাজ শিক্ষকের প্রাইভেট ও কোচিং।
সরজমিনে বুধবার সকাল ৯টায় দেখা যায়, সোনাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক দিপক কুমার দাস কোচিং করছেন স্কুলের একটি রুমে। ব্যবহার করছেন সরকারী বিদ্যুৎ। তিনি প্রধান শিক্ষককে জানিয়ে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন বলে জানান। জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বরিশালটাইমসকে বলেন, করোনার মধ্যে দীপক স্যারকে স্কুলে প্রাইভেট পড়াতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু তিনি তা শুনেননি। এ সম্পর্কে তারটা সেই ভালো জানেন আমি কিছু জানি না। উপজেলার সচেতন মহল মনে করেন, করোনার মধ্যেও কিছু শিক্ষক কোচিং ও প্রাইভেট চালিয়ে যাচ্ছেন এটা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছাড়া কিছু না। প্রাইভেট ও কোচিং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক দীপকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা গ্রহণের দৃষ্টান্ত নেই। সাধারণ অভিভাবকদের দাবি কোচিং বাণিজ্যের সাথে জড়িত শিক্ষকদের খুঁজে বের করে শাস্তি আওতায় আনতে না পারলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হয়ে যাবে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট বিক্রির কারখানা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা জানায়, করোনার কারণে সব ধরনের পরীক্ষা স্থগীত করা হয়। কিন্তু তারপরও স্যার আমাদেরকে পরীক্ষা নেয়ার কথা বলে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করেন। আদৌ আমরা জানিনা আমাদের শেণি পরীক্ষাগুলী হবে কিনা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শওকত আলী বরিশালটাইমসকে বলেন, করোনার মহামারীর মধ্যে দীপক স্যার প্রাইভেট পড়াচ্ছেন তা আমার জানা নেই। তদন্ত করে দোষী সাব্যস্থ হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল নোমান বরিশালটাইমসকে বলেন, প্রাইভেট কোচিং যেহেতু সরকারীভাবে নিষিদ্ধ সেহেতু কেউ প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com