শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সিঙ্গাপুরের আদলে সাজবে পটুয়াখালী, র্নিমাণ হচ্ছে ১২টি দৃষ্টিনন্দন সেতু

সিঙ্গাপুরের আদলে সাজবে পটুয়াখালী, র্নিমাণ হচ্ছে ১২টি দৃষ্টিনন্দন সেতু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ্॥ পটুয়াখালী জেলা শহরের আশপাশের ইউনিয়নগুলোর সড়কের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো উন্নত, আধুনিক ও সহজতর করার পাশপাশি এসব সড়কপথে বিদ্যমান খাল ও জলাধারগুলোকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এবং গ্রামীণ জনপদে পাশ্চত্যে স্থাপত্য শৈলীর ছোঁয়া দিতে র্নিমাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন সেতু। গুরুত্ব বিবেচনায় অনেকটা হাতিরঝিলের সেতুর মত দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনে করা মোট ১২টি সেতু নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহবান করে যাবতীয় কার্য সম্পাদন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি)। এরফলে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জেলার উন্নয়ন কর্মকান্ডের আরো বেশি তরন্বিত হবে। ব্যস্ততম হয়ে পড়বে গ্রামীণ জনপদ থেকে জেলা শহর। থাইল্যান্ড কিংবা সিঙ্গাপুরের আদলে একটি উন্নত শহরে পরিণত হবে পটুয়াখালী, এমন ধারণা এলজিইডির। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নকে জেলা সদরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত করার পাশপাশি জেলার ঐতিহ্যবাহী বহালগাছিয়া খালকে তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সদর উপজেলার পেছনের বাঁধটি অপসারণ করে সেখানে ৮১ মিটার দীর্ঘ একটি দৃষ্টিনন্দন ব্রীজ নির্মাণ করা হবে। একইভাবে বহালগাছিয়া খালের উপর নির্মিত গরুর বাঁধ অপসারণ করে সেখানেও ৮১ মিটার দীর্ঘ একটি ব্রীজ নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের সাথে পটুয়াখালী পৌর শহরকে সংযুক্ত করতে কুরিরখাল এলাকায় একটি ৪৫ মিটারের ব্রীজ নির্মিত হবে। এর ফলে জেলা শহরের সাথে ছোটবিঘাই, বড়বিঘাই, মরিচবুনিয়া এবং মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের নতুন একটি সংযোগ স্থাপিত হবে। একইভাবে পটুয়াখালী পৌরসভার সাথে কালিকাপুর ইউনিয়নের নতুন সংযোগ স্থাপন এবং ফুলতলা খালটি প্রবাহমান করতে বাঁধ অপসারণ করে সেখানে ৪৫ মিটারের একটি ব্রীজ নির্মাণ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পটুয়াখালী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস ছত্তার জানান, এ সকল ব্রীজ নির্মিত হলে এই অঞ্চলের মানুষের সড়ক যোগাযোগ সহজ হবে, স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে পাবে, খালের দখল হওয়া জমি পুনরুদ্বার করে কৃষি কাজে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে বলেও জানান নির্বাহী প্রকৌশলী। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের আইবিআরপি প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হাই জানান, প্রধানমন্ত্রীর শতবর্ষ পরিকল্পনায় গ্রামেও শহরের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। খাল ও জলাধারগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। ফলে এই ব্রীজগুলো নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এসব ব্রীজের নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com