বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
আগৈলঝাড়ায় মুক্তিযোদ্ধার সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ

আগৈলঝাড়ায় মুক্তিযোদ্ধার সম্পত্তি জবর দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক মুক্তিযোদ্ধার সম্পত্তি একই বাড়ির প্রভাবশালী কর্তৃক দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের মাগুরা-বাহাদুরপুর গ্রামের মরহুম মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল তালুকদারের ছেলে বাবু তালুকদার অভিযোগে বলেন, তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তি ভোগ দখলীয় ৩শতক জায়গা একই বাড়ির রফিক তালুকদারের ছেলে সহিদ তালুকদারের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে দখল করেছে। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোকজন ওই সময় বাড়িতে না থাকার সুযোগে তাদের জায়গা দখল করে সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে আটকে গাছের চারা রোপন করেছে। এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বাবু তালুকদার থানায় অভিযোগ করেছে।
বাবু আরও জানায়, জবর দখলীয় জায়গায় তাদের রোপিত রেনট্রি গাছ ও গোয়াল ঘর ছিল। ওই গোয়াল ঘর ভেঙ্গে সহিদ তালুকদার জায়গা দখলে নেয়। বিরোধীয় ওই জায়গা নিয়ে একাধিক আদালত তাদের পক্ষে রায় প্রদান করেছেন, বর্তমানে সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে আপিল শুনানীর জন্য অপেক্ষমান রয়েছে।
আদালতে নিস্পত্তির আদেশে বিচারাধানী মামলার মধ্যে সহিদ তালুকদার তার চাচা ইউসুফ ও ইয়াসিন তালুকদারের কাছ থেকে ১৬শতক জায়গা ক্রয় করেন। কিন্তু বিরোধীয় ওই ১৬শতক জায়গার মধ্যে বাবুর ফুফুর অবিক্রিত জায়গাও রয়েছে। এছাড়াও বিরোধীয় জায়গা তার বাবা মরহুম মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল তালুকদারের নামে দলিলও রয়েছে।
বাবুর পরিবারের অভিযোগ সহিদ তালুকদার ১৬শতক জায়গা কিনলেও তিনি তার থেকে বেশী জায়গা ভোগ দখলে থাকার পরেও তাদের ৩শতক জায়গা অবৈধভাবে দখল করেছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সহিদ তালুকদার জানান, তিনি দু’টি দলিলের মাধ্যমে ১৬শতক জায়গা ক্রয় করেছেন। যা বর্তমান মাঠ জরিপেও তার নামে রেকর্ড হয়েছে। ওই জায়গা নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে তার দলিলকৃত জায়গায় তিনি মিস্ত্রি নিয়ে টিনের বেড়া দিয়েছেন। তিনি কারো জায়গা দখল করেননি বলেও জানান। এবিষয়ে থানা অফিসার ইন চার্জ মো. আফজাল হোসেন বলেন, বিষয়টি মৌখিকভাবে তিনি শুনেছেন। বিরোধপূর্ন জায়গা তাদের নিজেদের বাড়ির লোকজনের সাথে। একাধিকবার ওই জায়গা নিয়ে শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সালিশদারের রায় মুক্তিযোদ্ধার পরিবার অমান্য করায় এই বিরোধ সৃস্টি হয়েছে। বিষয়টি এলাকার চেয়ারম্যানকে নিস্পত্তির জন্য বলা হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com