মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০৫ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
আগামী ৫ নভেম্বর বরিশাল বিভাগীয় বিএনপির সমাবেশ ; ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানের মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী’র শোক ও শ্রদ্ধা নবগঠিত বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির পরিচিতি ‍সভা অনুষ্ঠিত লিডিং ইউনিভার্সিটি পরিদর্শনে হিউম্যান রাইটস লিগ্যাল এইড সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন  বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক পদে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের দাবি আলহাজ্ব নুরুল আমীন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি’র শোক  দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি ও দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে ভান্ডারিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন: চেয়ারম্যান পদে তৃণমুলের দাবি ভিপি আনোয়ার মেধা-সততা ও মানবিকতার সমন্বয়ে কাজ করতে হবে-পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম জাপা চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমদ-এর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণসভা

অবহেলিত রেলওয়ে

অবহেলিত রেলওয়ে

ফাইল ছবি

প্রথম আলোর খবর অনুযায়ী, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় অনুমোদিত ৩ হাজার ১৭১ জনবলের বিপরীতে বর্তমানে ২৮টি উপকারখানায় (শপ) কর্মরত আছেন ১ হাজার ২০৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী। অর্থাৎ জনবল ঘাটতি ১ হাজার ৯৬৭ জন। অনেকে কমিশন পাওয়ার আশায় দেশে যন্ত্রপাতি না বানিয়ে বিদেশ থেকে আমদানি করতে বেশি উৎসাহী।

কোনো কারখানা কি দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি রেখে চলতে পারে? কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ে বলে কথা। আড়াই দশক আগে রেলওয়েতে সোনালি করমর্দনের মাধ্যমে রেলওয়ের লোকবল কমানো হয়েছিল। সেটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত—মাথাব্যথা সারানোর নামে মাথা কেটে ফেলা।

রেলওয়ের প্রতি আগের সরকারগুলোর অবহেলা এতটাই প্রকট ছিল যে তারা মন্ত্রণালয়টি তুলে দিয়ে একটি বিভাগে রূপ দিয়েছিল। এখন আলাদা রেলপথ মন্ত্রণালয় হলেও আগের বদভ্যাস কাটাতে পারেননি রেলওয়ের পদাধিকারীরা। যেখানে একটি কারখানায় অনুমোদিত জনবলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পদ খালি, সেখানে রেলওয়ের উন্নয়নে সরকার আগ্রহী দাবি করা হাস্যকর। প্রতিবেশী ভারতে যখন রেলপথের সেবা বাড়ানো হচ্ছে, তখন বাংলাদেশে রেলওয়ে সংকুচিত করা আত্মঘাতী ছাড়া কিছু নয়।

রেলওয়ের আয় বাড়াতে হলে এর যাত্রীসেবার মানের পাশাপাশি রেলপথের দৈর্ঘ্যও বাড়াতে হবে। বর্তমানে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় সীমিত লোকবল দিয়ে মাসে যদি গড়ে ২৬টি কোচ ও ২৫টি মালবাহী ওয়াগন মেরামত এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ রকমের যন্ত্রাংশও তৈরি সম্ভব হয়ে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় লোকবল থাকলে অনেক বেশি কোচ-ওয়াগন মেরামত ও যন্ত্রাংশ তৈরি করা সম্ভব হতো। দেশে এসব রেলওয়ে সরঞ্জাম তৈরি হলে রেলওয়ে যেমন স্বাবলম্বী হবে, তেমনি মানুষের কর্মসংস্থানও হবে।

অবিলম্বে সৈয়দপুর কারখানায় অনুমোদিত পদে লোক নিয়োগ করে এর উৎপাদন বাড়ানো হোক। রেলওয়েকে স্বাবলম্বী করতে হলে এর বিকল্প নেই।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com