শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
সরকারি ওষুধ বাড়ি নেওয়ার পথে ধরা খেলেন নার্স

সরকারি ওষুধ বাড়ি নেওয়ার পথে ধরা খেলেন নার্স

ভোলায় হাসপাতাল থেকে সরকারি ওষুধ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের কাছে ধরা খেয়েছেন তৃপ্তি রায় নামের এক নার্স। গতকাল রোববার দুপুরে হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন ধরনের ৪৮ পাতা ওষুধ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

তৃপ্তি রায় জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত আছেন।

স্থানীয়রা জানান, তৃপ্তি রায় দীর্ঘদিন ধরে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত থাকায় বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সকলের সঙ্গে তার সুসর্ম্পক তৈরি হয়। এই সুবাদে তিনি বিভিন্ন সময় হাসপাতাল থেকে অবৈধভাবে ওষুধ বাড়ি নিয়ে যেতেন। একইভাবে রোববার হাসপাতালের বহির্বিভাগের ওষুধ সরবরাহ কেন্দ্র থেকে ৪৮ পাতা ওষুধ নিয়ে তিনি বাড়ি যাচ্ছিলেন। এ সময় পথে স্তারা তাকে ধরে ফেলেন।

এত ওষুধ কোথায় ও কেন নিয়ে যাচ্ছেন প্রশ্ন করলে তৃপ্তি রায় কোনো উত্তর না দিয়ে দ্রুত আবার হাসপাতালে চলে যান। পরে স্থানীয়রা পিছু পিছু হাসপাতালের ওই কক্ষে যান। এ সময় তারা তৃপ্তির হাতে থাকা বক্স ও ইউনিফর্মের পকেট থেকে বিভিন্ন ধরনের ৪৮ পাতা ওষুধ বের করেন। তৃপ্তি রায়ের এ ওষুধ বাড়ি নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত নার্স তৃপ্তি রানী রায় জানান, তিনি এসব ওষুধ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী টিকেটের মাধ্যমে তার আত্মীয়-স্বজনদের জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রয়োজনে মাঝে মাঝেই এভাবে ওষুধ নিয়ে যান বলে স্বীকার করেন তিনি।

জানতে চাইলে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তপতি চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমি লোকের মুখে শুনেছি। তিনি যদি এ ধরনের কাজ করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ভোলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com