বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩১ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
ভোলার ইলিশা-রাজাপুর শহর রক্ষা বাঁধে আবারও ধ্বসের আশঙ্কা

ভোলার ইলিশা-রাজাপুর শহর রক্ষা বাঁধে আবারও ধ্বসের আশঙ্কা

ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে ভোলা
ভোলা প্রতিবেদক ॥ ভোলার ইলিশা-রাজাপুর শহর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের দুইশো মিটার ব্লক মেঘনার বুকে বিলীন হওয়ার পর তা পূর্ণ সংস্কার চলাবস্থায় আবারও ব্লক ধ্বসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ইলিশা-রাজাপুরের ৭ ও ১৮নং চ্যানেলসহ বেশ কয়েকটি চ্যানেলে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ভাঙনে ক্রোমশ ছোট হয়ে আসছে ভোলা জেলা। আর ব্লক ও জিওব্যাগ ফেললেও হুমকির মুখে শহর রক্ষা বাঁধসহ অন্যান্য প্রকল্প। ভোলার নদী তীরের সংরক্ষণ প্রকল্পগুলো ৩৪০ কোটি টাকার। ইলিশা-রাজাপুর প্রকল্প এলাকার দুইশো কিলোমিটার ব্লক এরই মধ্যে মেঘনা নদীতে ধ্বসে পড়লে তা পূর্ণ সংস্কারের উদ্যোগ নেয় জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে সাড়ে ৩ হাজার বর্গ কিলোমিটারের আয়তন ভোলা ক্রমশো ছোট হয়ে আসছে। দীর্ঘ আন্দোলন আর দেন-দরবারের পর ভাঙন রোধে ৬ হাজার কোটি টাকার ৭ মেগাওয়াট প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। যেকোনো সময় অতি জোয়ারে মূল বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হতে পারে বেড়িবাঁধের পাশে থাকা অর্ধশত গ্রাম। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা আরো জানান, ভোলার ৩৭৬ কিলোমিটার নদী তীরের বিভিন্ন স্থানে ১১২ কিলোমিটার অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও ভাঙন প্রবণ। সংকট নিরসনে বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। শীঘ্রই ধ্বসে যাওয়া বাঁধ সংস্কার সম্ভব হবে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহামুদ হাসান জানান, এরই মধ্যে ৭ ভাগ এলাকায় ভাঙন বন্ধ হয়েছে। ২০২২ সালের মধ্যে শতভাগ ভাঙন রোধ সম্ভব হবে। তবে তীব্র জোয়ারের ফলে ব্লকের নিচে থাকা মাটি ধেয়ে চলে যাচ্ছে বলে এ আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com