শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
আগৈলঝাড়ায় বর্ষা মৌসুমে নৌকা কেনা বেচার জমজমাট হাট

আগৈলঝাড়ায় বর্ষা মৌসুমে নৌকা কেনা বেচার জমজমাট হাট

আগৈলঝাড়া প্রতিবেদক ॥ বরিশালের আগৈলঝাড়ার প্রত্যন্ত এলাকায় বর্ষা মৌসুমে চলাচল, জীবন জীবিকা ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম বাহন নৌকা। দরিদ্র জনগোষ্ঠি অধ্যুষিত এ অঞ্চলের মানুষ জীবন জীবিকার প্রয়োজনে নিবিরভাবে নিজেদের জড়িত রেখেছেন মৎস্য শিকার করে তা বাজারে বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত অর্থে সংসার পরিচালনার কাজে। তাই বর্ষা মৌসুমে তাদের প্রধান চালিকা শক্তি হচ্ছে নৌকা। জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এলাকার মৎস্য শিকারীরা তাদের জীবন ধারন ও যাতায়াতের জন্য ডিঙ্গি নৌকার উপর নির্ভরশীল থাকেন। এসময় তারা নৌকায় করে জাল পেতে, চাই অথবা বড়শি নিয়ে মাছ শিকার করেন। তাই বর্ষা মৌসুম এলেই বেড়ে যায় নৌকার কদর। এদিকে বর্ষার কারণে ফসলী জমি বা বাড়ি-ঘর নির্মানের তেমন কোন কাজ না থাকায় এসময় কাঠ মিস্ত্রীরা তাতে নিজেদের বাড়িতে বসেই নির্মান করেন বিভিন্ন সাইজ ও ডিজাইনের নৌকা। গ্রাম ঘুরে কাঠ মিস্ত্রীরা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কিনে মিলে চেরাই করে বাড়িতে বসেই নৌকা তৈরি করে তা বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রির মাধ্যমে সংসারের বাড়তি আয় করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সহ¯্রাধিক মিস্ত্রী পরিবার বাড়তি আয়ের মাধ্যমে নিজেদের পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছেন। মিস্ত্রীদের কাজে সহায়তা করেন তাদের স্ত্রী ও সন্তানেরা। আগৈলঝাড়ার বারপাইকা, দুশুমীরহাট, রামানন্দেরআঁক, বাটরা, বাহাদুরপুর থেকে শুরু করে ত্রিমুখি, রামশীল, সাদুল্লাপুর, পীরের বাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় এখন নৌকা বিক্রির জমজমাট হাট দেখা গেছে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, এসব এলাকার অসংখ্য পরিবার কাঠ মিস্ত্রী পেশায় জড়িত। তারা গ্রামাঞ্চল থেকে অপেক্ষাকৃত কম দামে গাছ কিনে নৌকা তৈরি করে থাকেন। এর মধ্যে জারুল, রেইনট্রি, চাম্বল, কদম, রয়না, উরিয়া আম কাঠ দিয়ে ডিঙ্গি ও ছোট-বড় আকারের নৌকা তৈরি করেন। নৌকা বিক্রির সবচেয়ে বড় হাট বাহাদুরপুর ও সাহেবের হাট। সপ্তাহে দু’দিন করে বসে এই হাট। নৌকা তৈরীর কারিগর বাশাইল গ্রামের সুশীল দাস জানান, স্থানীয়রা ছাড়াও স্বরূপকাঠি, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মাদারীপুর থেকে পাইকাররা এসে নৌকা কিনে নিয়ে যায় তাদের ওই এলাকায় বিক্রির জন্য। বাহাদুরপুর হাটে কথা হয় নৌকা ক্রেতা কাদের সরদারের, শুকুমার রায়, জীবন বালার সাথে। তারা বলেন, শুধু বর্ষা মৌসুমে ব্যবহারের জন্য কম দামি নৌকাই তাদের বেশী পছন্দ। কারণ, এই সময়ে গবাদী পশুর জন্য মাঠ থেকে খাদ্য (ঘাষ) সংগ্রহসহ চলাচলের জন্য বছরে দেড় হাজার থেকে আট হাজার টাকার মধ্যে এই নৌকা পাওয়া যায়। আকার ভেদে নৌকার দামও কম বেশী হয়ে থাকে। রাজিহার গ্রামের মৎস্য শিকারী শাহ আলম জানান, বর্ষাকালে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার জন্য নৌকার বিকল্প নেই। এছাড়াও শুস্ক মৌসুমে নৌকায় খালে জাল পেতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে যাতায়াত ও পন্য পরিবহনে নৌকা ব্যবহার বেড়েছে। বিলাঞ্চলে হাট-বাজার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজে যাতায়াতের জন্য তাদের নির্ভর করতে হয় নৌকার উপর।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com