বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:৩৯ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
অশ্বিনী কুমারের নামে কলেজের নামকরণের দাবিতে বরিশাল নাটকের স্মারকলিপি

অশ্বিনী কুমারের নামে কলেজের নামকরণের দাবিতে বরিশাল নাটকের স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ সরকারি বরিশাল কলেজের নাম অশ্বিনী কুমারের নামে নামকরণের দাবিতে বরিশাল নাটক স্মারকলিপি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং জেলা প্রশাসক বরাবরে ওই স্মারকলিপি প্রদান করে নাট্য সংগঠন বরিশাল নাটক। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ওই স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বৃটিশ আমলে বরিশালের শিক্ষা, রাজনীতি এবং জ্ঞান অন্বেষণে পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন অশি^নী কুমার দত্ত। পশ্চাদৎপদ জনপদে শিক্ষা বিস্তারের জন্য বরিশাল নগরীর কালীবাড়ি রোডে প্রথমে ১৮৮৪ সনে তাঁর পিতার নামে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ব্রজমোহন বিদ্যালয়’। পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে ১৮৮৯ সনে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ব্রজমোহন কলেজ। তিনি মারা যাওয়ার পর কালীবাড়ি রোডে অবস্থিত তাঁর নিজস্ব বাসভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে। ১৯৬৬ সনে তার বাসভবনে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘বরিশাল নৈশ মহাবিদ্যালয়’। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর নৈশ কলেজটিকে প্রথমে বরিশাল দিবা ও নৈশ কলেজে রূপান্তর করা হয়। পরে এটির নামাকরণ করা হয় ‘বরিশাল কলেজ’। কলেজটিকে ১৯৮৬ সনে জাতীয়করণ করা হলে নামকরণ করা হয় ‘সরকারি বরিশাল কলেজ’।
অবহেলিত এবং অন্ধকারে নিমজ্জিত বরিশালের রেনেসাঁর অবতার অশ্বিনী কুমার দত্ত। মহাত্মা অশি^নী কুমার কেবল বরিশাল নয়, বৃহত্তর বরিশালসহ নোয়াখালী অঞ্চলের শিক্ষা সংস্কৃতির পথ সুগম করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে অশ্বিনী কুমারের বাড়িতে থাকা বরিশাল কলেজের নাম পরিবর্তন করে তার নামে করার দাবি তোলা হয়। বর্তমান জেলা প্রশাসকের নিকট একই দাবি করা করা হলে বিষয়টি তদন্ত করে গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠিয়েছেন। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নীতিগতভাবে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বরিশাল নাটক সেই পদক্ষেপের চূড়ান্ত রূপ দেখতে চায়। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অশ্বিনী কুমার দত্তের নাম বরিশার কলেজের সঙ্গে যুক্ত করা কোন একক ব্যক্তির প্রচেষ্টা নয়। তাই এটাকে ব্যক্তিগতভাবে যারা দেখছেন তারা ভুল করছেন। এই দাবির পক্ষে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠানের অবদান রয়েছে। সমষ্টিগত দাবির ফসল সরকারের প্রস্তাবনা। সরকার এই দাবি বাস্তবায়নে ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কিন্তু একটি মহল সেই দাবির বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় নতুন করে দাবি তুলতে হচ্ছে। এই প্রস্তাবনার সঙ্গে সবাই থাকবেন এবং আছেন বলেই বরিশাল নাটক মনে করে। সরকারি প্রস্তাবনা দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি আহ্বানও জানায় তারা। জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমানের হাতে বরিশাল নাটকের পক্ষে স্মারকলিপি তুলে দেন সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দিন কামাল, সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, আবুল খায়ের সবুজ, আশরাফুর রহমান সাগর, মিঠুন রায়, তাহমিনা দুলারী, শামসুন্নাহার নিপাসহ অন্যরা।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com