শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
ঝালকাঠিতে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দিয়াকুল ও কিস্তাকাঠি চরাঞ্চল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন অব্যাহত

ঝালকাঠিতে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দিয়াকুল ও কিস্তাকাঠি চরাঞ্চল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন অব্যাহত

হুমকির মুখে ঝালকাঠি শহর রক্ষা বাঁধসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম
গাজী মো.গিয়াস উদ্দিন,ঝালকাঠি ॥ ঝালকাঠিতে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে প্রভাবশালী বালুখেকো একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে করে একদিকে যেমন সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব তেমনি অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর দুই পারে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। প্রায় সারা-বছর ধরে বেপরোয়াভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সুগন্ধা তীরবর্তী ঝালকাঠি-নলছিটি এলাকার কয়েকটি গ্রামে নদী ভাঙন ক্রমশই বাড়ছে। তবে সুগন্ধার বালু উত্তোলন ও এর প্রভাব নিয়ে কোনো মাথাব্যথা ও উদ্যোগ নেই প্রশাসনের। ভাঙন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় বর্তমানে হুমকির মুখে ঝালকাঠি শহর রক্ষা বাঁধসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম।
প্রকাশ্যেই বালু ব্যবসায়ীরা সুগন্ধার চর দিয়াকুল,ভবানীপুর,কিস্তাকাঠি পাড় থেকে অব্যাহতভাবে বালু উত্তোলন করছেন প্রতিদিন।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ড্রেজার ও শ্যালো মেশিনের সাহায্যে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। কিন্তু জেলা প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এ ক্ষেত্রে নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে।
অপরিকল্পিতভাবে এ বালু উত্তোলন করায় ঝালকাঠি শহর রক্ষা বাঁধ, নলছিটির বাড়ৈ বাড়ি ইট ভাটাসহ কয়েকটি গ্রাম, ঝালকাঠির তৈল ডিপো এলাকা, পুরাতন কলেজ এলাকা, ভাবানীপুর, কিস্তাকাঠি, তোতা ফকিরের মাজার এলাকা, দিয়াকুল গ্রাম ভয়াবহ নদী ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে এসব এলাকার কয়েকশ’ একর আবাদি জমি ও বসতি বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে উক্ত সিন্ডিকেটের সাবেক এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবেনা? এই বালু দিয়ে আমাদের রাস্তাঘাটসহ সর্ব ক্ষেত্রে বালুর প্রয়োজন আছে? এরপরে একটি কথা হলো উত্তোলন করেন,গাফখানের মোহনা থেকে যে খানে চরপড়েছে? কিন্তু আপনা ওপার ভাঙ্গনের এলাকা থেকে কেন ৫/৭টি ড্রেজার দিয়ে প্রতিদিন বালু উত্তোলন করছেন। আমি যখন তাদের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম তখন ভাঙ্গন এলাকা থেকে কখনো বালু কাটিনি।
এ ব্যাপারে ‘জনসেবার জন্য প্রশাসন’ ঝালকাঠির সু-যোগ্য জেলা প্রশাসক মো.জোহর আলী বলেন, গতকাল মোবাইল কোর্ট গিয়েছিল কিন্তু বৃষ্টির জন্য নদীতে নামতে পারেনি। আজকেও আবার যাবে,আপনারা অবগত আছেন বিগত দিনে আমরা এই অবৈধ বালু উত্তোলোন বন্ধ করার জন্য অনেকবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমান করেছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে ও থাকবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com