শনিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২২, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা এই দুটি হত্যাকান্ডের মধ্যে দিয়ে নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে-গয়েশ্বর ভোলায় পুলিশের বর্বরোচিত হামলায় নুরে আলম ও গুলিতে আব্দুর রহিম মৃধার মৃত্যুতে সরফুদ্দিন সান্টুর শোক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা সম্পাদক হলেন বরিশালের ডাঃ রাহাত আনোয়ার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার ক্ষোভ: “মালাউনের বাচ্চা” এখানে কেন? বাংলার টাইগার বাকেরগঞ্জ জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ১ জন কে কুপিয়ে জখম সিলেটের বানভাসি মানুষের সাহায্যার্থে; বিএনপি মহাসচিবের হাতে ভোলা জেলা বিএনপি সভাপতির চেক হস্তান্তর বরিশালের উত্তর জনপদে যুবদলের ১২ টা বাজিয়ে ছাড়বে দুলাল, হাইকমান্ড পদক্ষেপ না নিলে প্রতিহতের ঘোষণা বরিশালের আলো’র সম্পাদক মোস্তফা কামাল জুয়েল’র পিতার মৃত্যুতে দখিনের খবর’র শোক দৈনিক বরিশালের আলো পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোস্তফা কামাল জুয়েল এর পিতার ইন্তেকাল, বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম’র বরিশাল’র শোক

পটুয়াখালী সদরে বারির আয়োজনে আউশের মাঠ দিবস

পটুয়াখালী সদরে বারির আয়োজনে আউশের মাঠ দিবস

দখিনের খবর ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) সরেজমিন গবেষণা বিভাগের আয়োজনে আজ পটুয়াখালী সদরের জামলায় আউশের ব্রি ধান৪৮’র ওপর কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম।কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। সে জন্য প্রয়োজন প্রতি ইঞ্চি জমির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ। পাশাপাশি দরকার বছরে চারটি ফসল উৎপাদন, যদি সুযোগ থাকে। আপনাদের এলাকায় গোলআলু চাষের পর মুগ করা যায়। এরপর আউশ ধান, পরে আমনের আবাদ।চারটি ফসল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। আর তা যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে নিজেরা সম্পদশালী হবেন। দেশও হবে সমৃদ্ধ। বারি, পটুয়াখালীর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শহিদুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. নাইমুল ইসলাম, এসও ড. কাজী নজরুল ইসলাম, মো. ছদরুল আলম, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ। সমন্বিত খামার পদ্ধতি গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৯ বিঘা জমিতে ব্রি ধান৪৮ আবাদ করা হয়।রোপণের পূর্বে ৬ জন চাষির মাঝে বিনামূল্যে ৪৫ কেজি বীজ, সে সাথে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বিতরণ করা হয়। কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের জন্য বসতবাড়িতে শাকসবজি আবাদ, হাঁস-মুরগি পালন এবং পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি মাঠ ফসল হিসেবে আউশ ও আমন ধান চাষে সম্প্রসারণের জন্য কৃষি উপকরণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়াই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com