রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সর্ব বৃহত্তম নারী সমাবেশে রহমাতুল্লাহ বরিশালে রাত পোহালেই বিএনপি নেত্রী ফাতেমা রহমানের ঠিকানা প্রত্যান্ত অঞ্চল সংবাদ সম্মেলন করে কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিরুধ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ আনলেন গৌরনদীর বিএনপি নেতা সজল সরকার
পটুয়াখালী সদরে বারির আয়োজনে আউশের মাঠ দিবস

পটুয়াখালী সদরে বারির আয়োজনে আউশের মাঠ দিবস

দখিনের খবর ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) সরেজমিন গবেষণা বিভাগের আয়োজনে আজ পটুয়াখালী সদরের জামলায় আউশের ব্রি ধান৪৮’র ওপর কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম।কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। সে জন্য প্রয়োজন প্রতি ইঞ্চি জমির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ। পাশাপাশি দরকার বছরে চারটি ফসল উৎপাদন, যদি সুযোগ থাকে। আপনাদের এলাকায় গোলআলু চাষের পর মুগ করা যায়। এরপর আউশ ধান, পরে আমনের আবাদ।চারটি ফসল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। আর তা যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে নিজেরা সম্পদশালী হবেন। দেশও হবে সমৃদ্ধ। বারি, পটুয়াখালীর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শহিদুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. নাইমুল ইসলাম, এসও ড. কাজী নজরুল ইসলাম, মো. ছদরুল আলম, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ। সমন্বিত খামার পদ্ধতি গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৯ বিঘা জমিতে ব্রি ধান৪৮ আবাদ করা হয়।রোপণের পূর্বে ৬ জন চাষির মাঝে বিনামূল্যে ৪৫ কেজি বীজ, সে সাথে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বিতরণ করা হয়। কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের জন্য বসতবাড়িতে শাকসবজি আবাদ, হাঁস-মুরগি পালন এবং পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি মাঠ ফসল হিসেবে আউশ ও আমন ধান চাষে সম্প্রসারণের জন্য কৃষি উপকরণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়াই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com