শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
রাঙ্গাবালীতে বৃদ্ধের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

রাঙ্গাবালীতে বৃদ্ধের বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিবেদক ॥ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে নয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হাফেজ খাঁন (৭০) নামের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। সোমবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব বাহেরচর স্লুইস ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার ওই শিশু গহীনখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত হাফেজ খাঁন ও তার ছেলে আনোয়ার হোসেন খাঁনকে (২৮) আসামি করে রাঙ্গাবালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বাড়ি পূর্ব বাহেরচর স্লুইস ঘাট এলাকায়। ভিকটিমের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার তাদের একটি ছাগল হারিয়ে যায়। ছাগলটি খুঁজতে স্লুইস ঘাটে যায় ওই শিশু। ছাগল খুঁজতে খুঁজতে রাত হয়ে গেলে হাফেজ খাঁনের মুদি দোকানের সামনে বসে। এসময় হাফেজ খাঁন শিশুটিকে বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে দোকানের মধ্যে নিয়ে যান। এরপর দোকান আটকে দিয়ে শিশুর মুখের মধ্যে গামছা ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটি দোকান থেকে বের হওয়ার সময় স্থানীয়রা দেখতে পেলে ঘটনা জানাজানি হয়। পরে ওই শিশুর মা রাঙ্গাবালী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলী আহম্মেদ জানান, ভিকটিমকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে মামলার পর থেকেই আসামিরা পালতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশের কয়েকটি টিম কাজ করছে। আসামি গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com