মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ ফেব্রুয়ারী বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ রিক্সা পেয়ে আনন্দে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে কাঁদলেন অক্ষমবৃদ্ধ ও দুপা-বিহীন প্রতিবন্ধী মুলাদীতে আজাহার উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচিত হওয়ার অভিযোগ ঘুষ বাণিজ্যে কপাল পুড়েছে নান্টু ও মেহবুলের, ভাগ্য খুলেছে আবুল হোসেন ও শাহীনের কিশোর গ্যাং কালচার এ বাংলাদেশ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি ২৯০টি আসনে জয় লাভ করবে: বরিশালে রুমিন ফারহানা শেখ হাসিনার অধীনে আর নির্বাচন নয়: মির্জা ফখরুল বরিশাল আসছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি ৫ নভেম্বর বরিশালে বিএনপির গণসমাবেশ সফল করতে কাশিপুর ইউনিয়নে কেন্দ্রীয় নেতাদের লিফলেট বিতরণ জে.সি.আই এর সঙ্গে ৫ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর

দশমিনায় নদী ভাঙন থেকে মসজিদ রক্ষার আকুতি

দশমিনায় নদী ভাঙন থেকে মসজিদ রক্ষার আকুতি

দশমিনা প্রতিবেদক ॥ গাঙ্গের ভাঙ্গন কেউ আর থামাইতে পারে না, খালি ভাঙ্গে আর ভাঙ্গে। ভাঙ্গনে ঘরবাড়ি, দোকানপাট-জায়গা-জমি হারিয়ে এখন আর সরে যাওয়ার জায়গাও নাই। বর্ষায় প্রবল স্রোত নদীর পাড়ের মাটি ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়ে যায়। গাঙ্গ ভাঙ্গে আর ভাঙ্গেৃ’ এভাবেই নদী ভাঙনের কথা বলছিলেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার চরবোরহানের বাসিন্দা মো. রফিক।
উপজেলার চরবোরহানের নদীরকূলের একজন স্বচ্ছল কৃষক ছিলেন তিনি। কিন্তু টানা নদী ভাঙনের কবলে পড়ে এখন সর্বশান্ত। সবশেষ তার বসতভিটাও নদী গর্ভে বিলীনের অপেক্ষায়। শুধু রফিকের এলাকা নয়। চলতি মৌসুমে উপজেলার পাতারচর, চর বাঁশবাড়িয়া, আলীপুরা, জীব বর্ধণ খামার ও চরবোরহানসহ বিভিন্ন এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের কবলে পরেছে উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টের বেঁড়িবাধ।
চরবোরহান ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. শাহজাহান হাওলাদার বলেন, দীপ ইউনিয়ন চরবোরহান বন্নায় ও নদী ভাঙনে বিভিন্ন এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভিটেমাটি হারিয়েছেন অনেকে। এ এলাকার মানুষ সব সময় আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করেন। দীপ এ ইউনিয়নের বেঁড়িবাধ নির্মাণ জরুরি। অন্যথায় বহু মানুষ মাথাগোজার ঠাই হারাবেন। তিনি নদী ভাঙন রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাজিরহাট লঞ্চঘাট এলাকার ভাঙন চরম আকার ধারণ করেছে। নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে হাজিরহাট লঞ্চঘটের বায়তুল ফজল জামে মসজিদের। মসজিদ প্রাঙ্গণসহ আশপাশের এলাকা রক্ষায় জিও ব্যাগ ফেলায় সমস্যা কিছুটা লাঘব হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে আবারও নতুন করে ভাঙ্গনে মসজিদটি যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হতে পারে। শুধু মসজিদ নয় হুমকিতে রয়েছে হাজিরহাটের আশপাশের এলাকা। ইতিমধ্যে হাজিরহাট-বাঁশবাড়িয়ার পাকা সড়কটির বিভিন্ন জায়গা নদীতে বিলীন হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়েছে পরেছেন এলাকাবাসী। হাজিরহাট এলাকার স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, বায়তুল ফজল জামে মসজিদটির প্রাঙ্গণসহ আশপাশ প্রতিনিয়ত ভাঙ্গছে। যেকোনো সময় মসজিদটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। মুসল্লিসহ স্থানীয়রা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তারা মসজিদটির জন্য আক্ষেপ ও রক্ষায় আকুতি প্রকাশ করেছেন। এ বিষয় পটুয়াখালী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম¥দ ওয়ালিউজ্জামান জানান, বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে উপর মহলে জানানো হবে। পরে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com