শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
বরগুনায় ভরা মৌসুমেও দেখা নেই রূপালি ইলিশের

বরগুনায় ভরা মৌসুমেও দেখা নেই রূপালি ইলিশের

বরগুনা প্রতিবেদক ॥ জ্যৈষ্ঠ আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন এই পাঁচ মাস ইলিশের ভরা মৌসুম। ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে বঙ্গোপসাগরসহ উপকূলীয় নদ-নদীতে দেখা মিলছে না ইলিশের। ইলিশ ধরা না পরায় উপকূলের জেলে পরিবার অভাব অনটনে চরম হতাশার মধ্যে দিন পার করছে। হাহাকার চলছে উপকূলের জেলে পল্লীগুলোতে। জানা যায়, বঙ্গোপসাগর, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীর ইলিশকে ঘিরেই এখানকার জেলেদের জীবন ও জীবিকার চাকা ঘুরছে। ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও দেখা নেই রূপালি ইলিশের।
অপরদিকে বৈরী আবহাওয়া থাকায় জেলেরা সাগরে ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছেন না। সাগর কিংবা নদীতে জাল ফেলে দু-একটা ইলিশের দেখা পেলেও তা হয়তো পরিবারের আহারেই চলে যায়। ইলিশ ধরা না পড়ায় অভাব-অনটনে ঋণ করে চলছে জেলেদের সংসার। এনজিওর লোন আর মহাজনের দাদনের ভাবনাই যেন জেলেদের পরিবারে নেমে এসেছে চরম হতাশা। দেশের বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (বিএফডিসি) বরগুনার পাথরঘাটায় দেখা যায়, ঘাটে নোঙর করে আছে জেলেদের শতাধিক ট্রলার, বাজারে নেই ইলিশ। অলস সময় পার করছেন আড়ৎদাররা। দু-এক ঝুড়ি মাছ ঘাটে আনা হলেও নেই হাঁকডাক। বছরের এ ভরা মৌসুমে জেলেরা মহোৎসবে রূপালি ইলিশ ধরেন, ট্রলার ভর্তি মাছ আসে অবতরণ কেন্দ্র। মাছ রাখতেই শুরু হয় হাঁক-ডাক। অবতরণ এলাকায় থাকে ক্রয়-বিক্রয়ের সরগরম। কিন্তু বর্তমান চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। শনিবার সরেজমিনে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও প্রকৃতির নিষেধাজ্ঞা রয়ে গেছে। দুর্যোগপূর্ণ আবাওয়ার কারণে সাগরে ট্রলারগুলো যাওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেও সিগনাল ও সাগর উত্তাল থাকায় ১৫ দিন ধরে ঘাটে বসে অলস সমায় পার করছে।
নদী ও সমুদ্রে ইলিশ ধরতে না পড়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন জেলেরা। ছোট ছোট ট্রলারে ফাঁকে ফাঁকে দিন-রাত জাল ফেলে যে কয়টি মাছ পাওয়া যাচ্ছে তা দিয়ে ট্রলারের তেল খরচও হয় না। জেলেরা আরও জানান, অনেকে এনজিও ও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ইলিশ বিক্রির টাকা দিয়ে ঋণ পরিশোধ করবেন। কিন্তু ইলিশ ধরা না পড়ায় দেনাও শোধ করতে পারছেন না। উপজেলার পদ্মা এলাকার জেলে কবির হোসেন জানান, এবার সাগরে মাছের দেখা মেলেনি। যে মাছ পেয়েছেন তাতে খরচের টাকা ওঠেনি। এতে দৈনিক খরচের তুলনায় আয় না হওয়ায় পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা। তাছাড়া বিনিয়োগ করে লোকসান গুনছেন আড়ৎদার ও দাদন ব্যবসায়ীসহ এর সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা। বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, প্রতি বছর বৈশাখ থেকে ইলিশ ধরা শুরু হলেও এ বছর ভরা মৌসুমে দুমাস মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষেও সমুদ্রে ইলিশের মাছের দেখা মিলছে না। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, যে কোনো কারণে ইলিশ কম ধরা পড়ছে। এটা সাময়িক, কিছু দিনের মধ্যে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে বলে আমার বিশ্বাস। পাথরঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলেরা গভীর সমুদ্রে যেতে পারছেন না। যে কারণে মনে হয় তেমন ইলিশ ধরা পড়ছে না। আমরা আশা করি খুব অচিরেই রূপালি ইলিশ ধরা পড়বে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com