বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সর্ব বৃহত্তম নারী সমাবেশে রহমাতুল্লাহ বরিশালে রাত পোহালেই বিএনপি নেত্রী ফাতেমা রহমানের ঠিকানা প্রত্যান্ত অঞ্চল সংবাদ সম্মেলন করে কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিরুধ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ আনলেন গৌরনদীর বিএনপি নেতা সজল সরকার
ক্ষুধা নির্মূলের লক্ষ অর্জন করতে প্রয়োজন পুষ্টিমান খাবারের নিশ্চয়তা প্রদান-কৃষি সচিব

ক্ষুধা নির্মূলের লক্ষ অর্জন করতে প্রয়োজন পুষ্টিমান খাবারের নিশ্চয়তা প্রদান-কৃষি সচিব

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥ ‘বরিশাল অঞ্চলে আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধি’ শীর্ষক দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা গতকাল ব্রি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) যৌথ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালক মীর নূরুল আলম, বিনার মহাপরিচালক ড. বীরেশ কুমার গোস্বামী এবং বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন। ব্রির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ডিএই; বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সাইনুর আজম খান, ব্রি’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, বিনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আবুল কালাম আজাদ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ গোলাম মো. ইদ্রিস প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে খাদ্যশস্যের পরিমাণ দ্বিগুণ করতে হবে। এটি একটি চ্যালেন্স। তবে অসম্ভব নয়। অতিরিক্ত এ ফলন আমন ও আউশের মাধ্যমেই হতে পারে। এ বছরে আউশ ধানের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে ৪০ লাখ মে. টন। ভবিষ্যতে আরো বাড়ানোর দরকার হবে। লক্ষমাত্রা যেহেতু আপনারাই নির্ধারণ করেছেন, বাস্তবায়ন আপনাদেরই করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন ফলোআপ কার্যক্রম জোরদারকরণ। তিনি আরো বলেন, আমাদের বাণিজ্যিক কৃষিতে যেতে হবে। তবে ধান চাষে নির্দিষ্ট মাত্রায় না রেখে নয়। সচিব বলেন, ক্ষুধা নির্মূলের লক্ষ অর্জন করতে প্রয়োজন পুষ্টিমান খাবারের নিশ্চয়তা দেয়া। আর আমরা তা পারব অবশ্যই। অনুষ্ঠানে কৃষকসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেড়শতাধিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com