রবিবার, ১৩ Jun ২০২১, ০৭:১৯ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
করোনার চেয়ে নির্বাচন বেশি গুরুত্বপূর্ণ: সিইসি প্রধানমন্ত্রী ঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন ২০ জুন নগরীর বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা! কলাপাড়ায় উপকূলীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক কর্মসূচী কুয়াকাটায় নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মাছ ধরায় নৌ-পুলিশের হাতে ৪ ট্রলারসহ গ্রেফতার-১৬ জেলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন: রাজাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সুদখোরদের গালিগালাজ, উৎপাত ও প্ররোচনায় গৌরনদীতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা আগৈলঝাড়ায় নিজের টাকায় গৈলা বাজারের খাজনা পরিশোধ করলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি আগৈলঝাড়ায় সাবেক পুলিশ সদস্যর বাড়ির গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে নলছিটি বাসষ্ট্যান্ড-থানার পুল সড়কের সংস্কার কাজ
জীবিত গাছ মরা দেখিয়ে কাটার চেষ্টা

জীবিত গাছ মরা দেখিয়ে কাটার চেষ্টা

ভোলা প্রতিনিধি ॥ ভোলায় টেন্ডার ছাড়াই কাটা হচ্ছে সদর উপজেলা পরিষদের গাছ। সরকারি গাছ হওয়ায় এগুলো টেন্ডারের মাধ্যমে কাটার কথা থাকলেও উপজেলা পরিষদের অফিস সহকারি মো. মাহফুজের নির্দেশে গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর পাশ থেকে একটি রেইনট্রি গাছ অফিস সহকারি মাহফুজ নিজে দাঁড়িয়ে থেকে শ্রমিক দিয়ে কাটাচ্ছেন। তিনি বলেন, উপরের নির্দেশেই গাছ কাটা হচ্ছে। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে তিনি গাছ কাটা বন্ধ করে দেন। তবে মাহফুজ এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মামুন আল ফারুক স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেখান। সেখানে জীবিত গাছগুলোকে মরা, ঝড়ে উপরে পড়া ও বিনষ্টযোগ্য দেখানো হয়। এর আগেও উপজেলা পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন যায়গা থেকে মেহেগুনি, আকাশমণি, রেইনট্রিসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩০টি গাছ টেন্ডার ছাড়াই কেটে ফেলা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেই সব গাছে বেশিরভাগই অফিস সহকারি মাহফুজ নিয়ে গেছেন। জানা যায়, গত বছরের আগষ্ট মাসে ভোলা সদর উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর, ড্রেন ও অভ্যন্তরীণ সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এ সুযোগে পরিষদের ভিতরের গাছগুলো কেটে ফেলা হয়। যদিও সরকারি নিয়মে কোনো কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে জীবিত গাছ কাটার প্রয়োজন হলে স্থানীয় সরকার বিভাগের পূর্ব-অনুমতি ন্ওেয়ার কথা রয়েছে। এব্যাপারে অভিযুক্ত মাহফুজ বলেন, উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য গাছ কাটার প্রয়োজন হওয়ায় জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। সেটি এখনও অনুমোদন হয়নি। তাই আমরা গাছের ডাল-পালা কেটেছি। আগের কেটে ফেলা গাছগুলোও রেখে দেওয়া হয়েছে। সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন বলেন, উপজেলার গাছ কাটার ব্যাপারে আমার কিছুই জানা ছিল না। আমি জানার পর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়ে টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ কাটার জন্য বলে দিয়েছি। এখানে কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, গাছকাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অনুমোদন পেলে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে গাছ কাটা হবে। আগের কাটা গাছগুলোও নিলামে বিক্রি করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com