বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:৩২ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা বানারীপাড়া পৌর শহরে প্লান পাশহীন ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ ৩দিন বাকি স্বরূপকাঠি পৌরসভার নির্বাচনের – জনপ্রিয়তা নিয়ে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ আবুল কালাম আজাদ সকলের সুনজরে বোরহানউদ্দিনে কাউন্সিলর প্রার্থী কাসেম সমর্থকদের উপর প্রতিপক্ষের হামলা, আহত -৪ নগরীতে ছাত্র ফ্রন্ট এর বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরের স্বরুপকাঠিতে আগুনে পুড়ে ছাই ৬ বসতঘর কলাপাড়ায় আধুনিক পদ্ধতিতে ক্ষেতে বীজ রোপণ ভোলায় করোনা ভ্যাকসিন পাচ্ছেন ৩৭ হাজার ব্যক্তি যত দ্রুত সম্ভব ভারতে ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হবে : দোরাইস্বামী বরিশালে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজড করার পদক্ষেপ
সাবধানতা রক্তদানে

সাবধানতা রক্তদানে

লাইফস্টাইল: কাছের কারো জন্য রক্তের প্রয়োজন হলেই বোঝা যায়, রক্তের বন্ধন যে অমূল্য। আজকাল রক্ত পাওয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়ে গেছে। বিশেষ করে তরুণরা, খুব আগ্রহ নিয়ে অপরিচিতদেরকেও রক্ত দিয়ে থাকেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, রক্তদানের ফলে রক্তদাতার শারীরিক কোনো ক্ষতি হয় না। রক্তের লোহিত কণিকার আয়ু ১২০ দিন। অর্থাৎ আপনি রক্ত দিন বা না দিন ১২০ দিন পর লোহিত কণিকা আপনা আপনিই মরে যায়। সেখানে জায়গা করে নেয় নতুন লোহিত কণিকা। রক্তের আর উপাদানগুলোর আয়ুষ্কাল আরও কম। সুস্থ, সবল, নিরোগ একজন মানুষ প্রতি চার মাস অন্তর রক্ত দিতে পারেন।
তবে রক্তদানের ক্ষেত্রে রক্তদাতার কিছু শারীরিক বিষয় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:
ক্স রক্তদাতাকে শারীরিকভাবে সুস্থ হতে হবে
ক্স রক্তদাতার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে
ক্স রক্তদাতার ওজনহতে হবে কমপক্ষে ১১০ পাউন্ড
ক্স রক্তদাতার রক্তচাপের দিকে লক্ষ্য রাখা দরকার। খুব বেশি বা খুব কম কোনটিই রক্তদানের ক্ষেত্রে সহায়ক নয়
ক্স কোনো রোগের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক সেবনরত থাকলে সেক্ষেত্রে রক্তদান করা উচিত নয়
ক্স নারীরা মাসিক চলাকালীন বা গর্ভাবস্থায় রক্তদান করতে পারবেন না।
ক্স রক্তদানের কাছাকাছি সময়ে কোনও বড় দুর্ঘটনা বা অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে রক্তদান না করা বাঞ্ছনীয়
ক্স রক্তের হিমোগ্লোবিন ১১-এর নিচে হলে রক্ত দেওয়া ঠিক নয়। এতে করে হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, ক্লান্ত লাগা, চোখে ঝাঁপসা দেখা, মাথা ঘোরাসহ অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারেন।
এছাড়াও খেয়াল রাখতে হবে যে, এক ব্যাগ রক্তদানের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়া দরকার। রক্তদানের পর দুই গ্লাস পানি বা জুস খেলে রক্তের জলীয় অংশটুকু পূরণ হয়ে যায়।
এরপর পর্যাপ্ত পানি ও জুস পান করতে হবে, সেই সঙ্গে ৮ঘণ্টা ঘুম। খাবারে কলিজা, বিভিন্ন ধরনের কচু, ডিম, দুধ রাখতে হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com