সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বরগুনায় মা-বাবাকে মারধর, সেই মেয়ে গ্রেফতার কম ঘুষে বেশি ঘুরাঘুরি,বেশি ঘুষে কাজ তাড়াতাড়ি: ভোলায় ভূমি অফিস দুর্নীতির আখড়া বানারীপাড়ায় ৩টি নতুন স্কুল ভবনের উদ্বোধন করলেন এমপি শাহে আলম ছাত্রলীগ নেতার পরকীয়ায় তছনছ প্রবাসীর ১৭ বছরের সংসার আগৈলঝাড়ায় অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারী ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তা প্রদান বরিশালে নিজের কুকীর্তি ঢাকতে বিচ্ছিন্ন কর্মীদের দিয়ে মানববন্ধন করিয়েছে মিঠু বরিশালে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও ডিজিটালাইজ বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ বিরোধীতার প্রতিবাদে মানববন্ধন বরিশালে ড্রামে পাওয়া মৃত নারীর পরিচয় মিলেছে লালমোহন বর্নালী নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ৷
বরিশালে সাদা শাপলায় জীবন চলে দরিদ্র পরিবারের

বরিশালে সাদা শাপলায় জীবন চলে দরিদ্র পরিবারের

দখিনের খবর ডেস্ক ॥ প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম আসলেই বৃষ্টি আর জোয়ারের পানীতে তলিয়ে যায় বিভিন্ন এলাকার নিন্মাঞ্চল। এক্ষেত্রে বিলাঞ্চলে পানীর প্রভাব থাকে সবচেয়ে বেশি। বর্ষায় বিলাঞ্চলের ফসলি জমি আর গ্রামীণ জনপদ তলিয়ে থাকার কারনে দরিদ্র পরিবারদের হাতে কাজ থাকেনা। তাই জীবন-জীবিকা আর পরিবারের অর্থনৈতিক চাঁকা সচল রাখতে বিলাঞ্চলের প্রাকৃতিক মাছ কিংবা সাদা শাপলায় জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেক দরিদ্র পরিবার। বরিশালের আগৈলঝাড়া, উজিরপুর ও গৌরনদী উপজেলার বিলাঞ্চল প্রাকৃতিক ভাবে বিলের মাঝে ফুটে উঠছে জাতীয় ফুল শাপলা। আর এ শাপলা কে ঘিরেই পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর আশায় দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে বিলের মাঝে শাপলা তুলতে ব্যস্থ হয়ে পরছেন। গ্রাম কিংবা শহরে শাপলা কদর বৃদ্ধি পাওয়ায় চাহিদাও বেড়েছে ব্যাপক। আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের একাধিক দরিদ্র শাপলা বিক্রেতারা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে প্রায় চার থেকে পাঁচ মাস বিলের মধ্যে পানী থাকে। তখন এলাকায় কৃষি কাজ কমে যায়। আর্থিক সংকটের কারনে তাদের শাপলা কিংবা বিলের মাছ বিক্রি করে চলতে হয়। শাপলা বিক্রিতে বড় ধরনের কোন মূলধনের প্রয়োজন না হওয়ায় দরিদ্র পরিবারের অনেকেই বর্ষার মৌসুমে শাপলা বিক্রি করছেন।
এছাড়া আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহারসহ উজিরপুর উপজেলার কয়েকটি বিলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা মাছ চাষ করায় এখন আর আগের মত বিলে শাপলা ফুটছে না। এমনকি প্রাকৃতিক মাছও বিলে ঢুকতে পারছেনা। ফলে শাপলা বিক্রেতা ও বিলের প্রাকৃতিক মাছ শিকারীদের আয় অনেকটাই আগের চেয়ে কমে গেছে।
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের লখারমাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা হৃদয় রায়, চিত্ত রঞ্জন বৈদ্য, নিতাই বৈদ্যসহ একাধিক শাপলা বিক্রতারা জানান, বর্ষায় হাতে কাজ নেই। তাই গত দুই মাস যাবত শাপলা বিক্রি করছেন। প্রতিদিন পরিবারের সদস্যরা বিলের মাঝে ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে শাপলা তুলে আনেন। এরপর শাপলার মুঠো বেঁধে ভ্যানে সাজিয়ে সকাল হলেই শাপলা বিক্রিতে নেমে পরেন। শাপলাগুলো গৌরনদী বন্দর, টরকী বন্দরসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে থাকেন। বর্ষার শুরুতে শাপলার দাম কিছুটা ভাল থাকলেও এখন তিন মুঠো শাপলা বিক্রি করতে হয় ১০ টাকা। তবে বাজারে একেক সময় একেক রকম দাম থাকে। তাদের মতো আরও অনেকেই শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন। গৌরনদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রহমান জানান, শাপলা জাতীয় ফুল হলেও সবজি হিসেবে শাপলার কদর রয়েছে অনেক বেশী। এছাড়াও শাপলায় প্রচুর পরিমানে আয়রণসহ নানাবিদ পুষ্টিগুন রয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com