রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:২৪ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
তোফায়েল আহমেদের সহধর্মিণীর রোগমুক্তি কামনা করে লালমোহনে আওয়ামী লীগের দোয়া ও মোনাজাত মুজিববর্ষ উপলক্ষে তজুমদ্দিনে ১৮ পরিবারের কাছে ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর করেন সড়ক দূর্ঘটনায় আহত আ’লীগ নেতার সুস্থতায় এমপি শাওন’র দোয়া কামনা প্রধানমন্ত্রী সারা দেশের সাথে একযোগে পটুয়াখালীতেও ঘর হস্তান্তর করেন বাউফলের ১০ গৃহহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর গৃহ হস্তান্তর পৌরসভা নির্বাচন, কলাপাড়ায় অধিকাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী অপরাধের মামলা সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভাণ্ডারিয়ায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ শোক সংবাদ – প্রফেসর আব্দুল হালিম উকিল প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেলো আগৈলঝাড়ার ৩৬ পরিবার আগৈলঝাড়ায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা
বাড়লো বিমান ভ্রমণের খরচ

বাড়লো বিমান ভ্রমণের খরচ

বাংলাদেশে বিমানে যাত্রায়াত খরচ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ‘বিমানবন্দর উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা ফি’ নামে আজ রোববার থেকে এই বর্ধিত ফি নেয়া হচ্ছে। আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক উভয় রুটে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আলাদা হারে এই ফি নেয়া হচ্ছে। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে কোন বিমানবন্দর দিয়ে সার্ক-ভুক্ত দেশগুলোতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি ৫ ডলার এবং নিরাপত্তা ফি ৬ ডলার দিতে হবে। আবার দেশে ফিরে আসার ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ অর্থ দিতে হবে। অন্যদিকে সার্কভূক্ত দেশের বাইরে ভিন্ন কোন দেশে গেলে যাওয়া এবং আসার ক্ষেত্রে একজন যাত্রীকে ৪০ ডলার দিতে হবে। শুধু বিদেশে আসা-যাওয়া করা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই নয়, দেশের ভেতরে অর্থ্যাৎ অভ্যন্তরীন রুটের যাত্রীদেরকেও বিমানবন্দর উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা ফি দিতে হবে। দেশের অভ্যন্তরে একবার বিমানবন্দর ব্যবহার করলে দিতে হবে ১৭০ টাকা।

এ ব্যাপারে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক জানান, বাংলাদেশের বিমান বন্দরগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রতিবছর প্রায় ৪০০০ কোটি টাকা খরচ হয়। এ পরিচালনা ব্যয় মেটানোর জন্যই এ ফি নেয়া হচ্ছে। এতে প্রতিবছর সরকার ৬০০ কোটি টাকার মতো পাবে বলে আশা করেন তিনি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ ধরণের ফি নেয়া হয় দাবি করে মহিবুল হক বলেন, এই রিজিওনের ভেতরে আমরা সবচেয়ে বিলম্বে এটা কার্যকর করছি এবং সবচেয়ে কম অর্থ নিচ্ছি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com