মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়ম বহির্ভূত মাইকিংয়ে শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ তালতলীবাসী বরিশালে আন্তর্জাতিক নিরাপদ মাসিক নিয়মিতকরণ দিবস পালিত কর্মকর্তা শূণ্য বরিশালের হিজলা মৎস্য অফিস : জুনিয়র দিয়েই চলছে কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের একপ্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছি- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফেঁসে যেতে পারেন আশরাফ আলী! তদন্ত শেষ পর্যায় বল্লেন উপজেলা ভুমি কমিশনার নলছিটিতে ব্যবসায়ীর বাসা লুট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুন গৌরনদীতে অজ্ঞাত বৃদ্ধের ভাসমান লাশ উদ্ধার রাজাপুরে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২০ পালিত চরফ্যাসনে ধর্ষকের লিঙ্গ কেটে নিজের সম্ভ্রম বাঁচালেন গৃহবধূ চরফ্যাসনে শেখ হাসিনার জন্মদিনে দুস্থদের মধ্যে এমপি জ্যাকবের খাবার বিতরণ

বাজার এখনো চড়া

রমজানে এখনো সহনীয় পর্যায়ে আসেনি পণ্যবাজার। যথেষ্ট মজুদ থাকার পরও মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব হয়নি। নিত্যপণ্য তো বটেই, মাছ-মাংসও নির্দিষ্ট দামে বিক্রি হচ্ছে না। ভ্রাম্যমাণ আদালত বাজারে গেলে দাম কমানো হয়, সরে গেলেই আগের দামে বিক্রি শুরু হয়। রমজান মাসে বিএসটিআই, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, র‌্যাব-পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং টিমসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা পণ্যবাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও জালজালিয়াতির বিষয়ে নজর রাখবে। এতে বাজার সহনীয় থাকবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের বাজার সিন্ডিকেট অনেক বেশি সক্রিয়। কর্তৃপক্ষের নজরদারি শুধু রমজানের বাজারকেন্দ্রিক না হয়ে যদি সারা বছর চালানো যেত, তাহলে হয়তো বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা যেত। বিকল্প বাজারব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো জিনিসপত্রের দাম বাড়াতে পারে। এবার রমজানেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কোনো কোনো পণ্যের দাম নির্দিষ্ট একটি পর্যায়ে গিয়ে স্থিতিশীল হলেও মাছ-মাংসের বাজার এখনো অস্থিতিশীল। রমজানের আগেই গরু ও খাসির মাংসের দাম নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রমজান শুরুর পর নির্দিষ্ট দামে কোথাও মাংস বিক্রি হচ্ছিল না বলে অভিযোগ ছিল। একইভাবে মুরগির বাজারেও চড়া ভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হলেই বাজারে নির্দিষ্ট দামে ব্রয়লার ও অন্য মুরগি বিক্রি হচ্ছে। আদালত সরে গেলেই অতিরিক্ত দাম আদায় করা হচ্ছে। অন্যদিকে সরবরাহ কমÑএমন অজুহাতে মাছের বাজার রমজান মাসের শুরু থেকেই অস্থিতিশীল।
বাজার নিয়ন্ত্রণে সবার আগে দরকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি। বিএসটিআই, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, র‌্যাব-পুলিশের ভ্রাম্যমাণ আদালত, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং টিমসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা আগে থেকেই সক্রিয় হলে রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারসাজি ব্যবসায়ীরা করতে পারবে না। বন্ধ হবে জালজালিয়াতিও। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগে থেকে সক্রিয় হলে বাজার যেমন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তেমনি ভেজালের হাত থেকেও রক্ষা পাওয়া যাবে। রমজানের বাকি দিনগুলোতে বাজার সহনীয় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি আরো বাড়ানো উচিত বলে আমরা মনে করি।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com