বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
বেতন ভাতার দাবীতে : আমরণ অনশনে শেবাচিম হাসপাতালের কর্মচারীরা

বেতন ভাতার দাবীতে : আমরণ অনশনে শেবাচিম হাসপাতালের কর্মচারীরা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মহামান্য সুপ্রীম কোট, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় ও অধিদপ্তরের নির্দেশ থাকা সর্ত্তেও বেতন-ভাতা প্রদানে পরিচালক গরিমশি কারায় আমরণ অনশন পালন করছেন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারীরা। আজ সোমবার (১ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে হাসপাতাল কম্পাউন্ডে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদ’র ব্যানারে তারা এ কর্মসূচী পালন করছেন। সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ২১২ কর্মচারীর এই কর্মসূচীর সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে আমরণ অনাশন করছেন হাসপাতালের পুরাতন কর্মচারী ও বাংলাদেশ সরকারি ৪র্থ কর্মচারী সমিতির বরিশাল জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। এদিকে কর্মচারীদের কর্মবিরতী ও আমরণ অনাশনের সকাল থেকেই জরুরী রোগী ব্যথিত সাধারণ রোগী সেবা ব্যবহ হচ্ছে। পাশাপাশি আন্দোলনরত পরিছন্ন কর্মিরা কাজ না করায় হাসপাতালের সর্বত্র দুগন্ধ ছড়িয়ে পরেছে। চিকিৎসক ও নার্সরা পড়েছেন চরম বিপাকে। কর্মবিরতী ও অনাশন কর্মসূচী চলাকালে বক্তারা বলেন, ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর শেবাচিম হাসপাতালের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর বিভিন্ন পদে ২১৫ জন কর্মচারী যোগদান করেন। ২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারী স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় কর্মচারীদের কার্যক্রম স্থাগীত রাখার নির্দেশ প্রদান করলে কর্মচারীরা উচ্চাদালতের রীট মামলা দাখিল করে। ওই বছরের ২২ আগষ্ট উচ্চাদালত কর্মচারীদের পক্ষে রায় প্রদান করলে ওই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সুপ্রীম কোর্টে আপীল করে এবং আদালত আপীলটি খারিজ করে দেয়। চলতি বছেরর ৬ ফেব্রুয়ারী ওই রায়টি বাস্তবায়নের জন্য পরিচালকে নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব ও অধিদপ্তরের ডিজি। আদেশটি পেয়ে পরিচালক ২৪ ফেব্রুয়ারী কর্মচারীদের বিভিন্ন দপ্তরে কার্যাদেশ প্রদান করেন। পরবর্তিতে পরিচালককে গত ৪ এপ্রিল যোগদানকৃত কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি। এমনকি মামলা চলাকালীণ সময়ের ৩০ মাস কর্মচারীদের স্থগীত সময় কর্মকাল হিসেবে গন্য করে উক্ত সময়ের কর্মচারীরা বেতন ভাতা পাবেন বলে দাবী করে জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার নিকট নিদের্শনা (জিও) প্রেরণ করেছেন পরিচালক ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন। ওই নির্দেশনার আলোকে জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা প্রত্যেক কর্মচারীর বহি ফিকসেন সম্পূন্ন করেছেন। কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদানের সকল প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেলেও অদৃশ্য ও রহস্য জনক কারনে পরিচালক ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন বেতন-ভাত প্রদান করছেন না। এদিকে গত চার মাস পূর্ব থেকে কাজে যোগদানের পরও বেতন ভাতা বন্ধ থাকায় ২১২ কর্মচারী পরিবার পরিজন নিয়ে চরম মানবেতরে জীবন-যাপন করছেন। এ ব্যপারে পরিচালক ডাঃ মোঃ বাকির হোসেন, গত ২৪ ফেব্রুয়ারী থেকে কর্মচারীরা হাসপাতালের বিভিন্ন দপ্তরে কাজ করে আসছেন। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তাদের বেতন ভাতা প্রদান করা হয় নি। সর্বশেষ কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদানের জন্য মতামত চেয়ে ফের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠির জবাব পেলে পরবর্তি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com