রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল জেলা প্রশাসকের সাথে সম্পাদক পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাত সম্পাদক পরিষদ, বরিশালকে নিউজ এডিটরস্ কাউন্সিলের সংবর্ধনা বরিশালের নগর পিতা একজন মিডিয়া বান্ধব ব্যক্তিত্ব- কাজী বাবুল বরিশালে রিক্সা-ভ্যান শ্রমিকদের ৭ দাবিতে বিক্ষোভ উজিরপুর সাতলা ইউপি’র উপ-নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌঁড়ঝাপ উন্নত দেশে পৌঁছতে সরকার তরুণদের ওপর নির্ভরশীল : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মেহেন্দিগঞ্জে একাধিক ব্যবসায়ীর ক্ষতি করে মার্কেট নির্মাণ অর্থের বিনিময়ে কমিটি ঘোষণার অভিযোগ : তালতলীতে ১১ ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ ভরে ফেলা হচ্ছিল শের-ই-বাংলার ফুফুর জমির পুকুর—এলাকাবাসীর প্রতিরোধ শেবাচিমে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা হস্তান্তর ভোলায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা
কলাপাড়ায় জনর্দুভোগের কারন এখন অর্ধশতাধিক আয়রন ব্রিজ

কলাপাড়ায় জনর্দুভোগের কারন এখন অর্ধশতাধিক আয়রন ব্রিজ

কলাপাড়া প্রতিবেদক ॥ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অর্ধশতাধিক আয়রন ব্রিজ এখন জনর্দুভোগের কারনসহ মৃত্যুফাঁদে পরিনত হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই এসব ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে হাজার হাজার মানুষ। উপজেলার ১২ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার আয়রন ব্রিজের এখন এমন দশা হয়ে পরেছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁিকর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে এসব ব্রিজ মেরামত না করায় গ্রামীন জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়ে পড়েছে চরম ঝুকিপূর্ন। এসব ব্রিজ সংলগ্ন স্কুল, কলেজের ছাত্র- ছাত্রীসহ শত শত লোকজন রয়েছে সীমাহীন দূর্ভোগে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ও সহজতর করতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জেলা পরিষদ ৮০ ও ৯০’র দশকে এ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ৬৯টি আয়রন ব্রিজ র্নিমান করে। এরফলে গ্রামীন জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় সূচিত হয় নতুন দিগন্ত। কিন্তু নির্মান পরবর্তী সময় থেকে এসব ব্রিজের কোন সংস্কার না হওয়ায় বর্তমানে তা বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। এর মধ্যে চাকামইয়া ইউনিয়নের একটি, টিয়াখালীর একটি, লালুয়ার তিনটি, মিঠাগঞ্জে নয়টি, নীলগঞ্জে একুশটি, মহিপুরের তিনটি, বালিয়াতলীর তিনটি, ধুলাসারে একটি, ধানখালীর তিনটি, লতাচাপলীর ছয়টি, ধানখালীর চারটি, চম্পাপুর ইউনিয়নের দুইটি ব্রিজর অনেক স্লাব ভেঙ্গে গেছে। মূল পিলারসহ ক্রস এঙ্গেল মরিচা পড়ে ভেঙ্গে পড়েছে। অনেক ব্রিজের লোহার পাত ও এঙ্গেল চুরি হয়ে গেছে। অনেক ব্রিজের মুল কাঠামো নষ্ট হয়ে গেছে।
পক্ষীয়াপাড়া এলাকার আ.রাজ্জাক জানান, ভাঙ্গা বিধ্বস্ত কয়েকটি স্লাব ও মরচে ধরা ঝুলে পড়া লোহার এঙ্গেলের উপর ঝুলে আছে তাদের এলাকার সেতুটি। মানুষ উঠলে কখনো ডানে কখনো বামে কাঁত হয়। চরম ঝুঁকি নিয়ে এলাকাবাসী এভাবে কাঁপতে কাঁপতে সেতুর মাঝ বরাবর আসলেও কখনো কখনো নিজেকে সামলাতে না পেরে পড়ে যায় খালের পানিতে। মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের খন্দকার মনিব রহমান জানান, মধুখালীর ইউনিয়নের জয়বাংলা বাজার সংলগ্ন সাপুড়িয়া ভাড়ানির খালের উপরের আয়রণ ব্রিজটি দিয়ে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারে না। মানুষ চলাচলও বন্ধের উপক্রম হয়েছে। এ ব্রিজ দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে গত ছয় মাসে অন্তত: অর্ধ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নাসির উদ্দিন জানান, ৮০’র দশকের মাঝামাঝি সময় ইউনিয়নের আয়রন ব্রিজগুলো নির্মান করা হয়েছে। সব কটি ব্রিজের এখন বেহাল অবস্থা। কোনটির স্লাব নেই। কোনটির লোহার এ্যাঙ্গেল নেই। মুল লোহার ভিমগুলো মরিচা ধরে ভেঙ্গে গেছে। উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান জানান, বর্তমানে নতুন কোন আয়রন ব্রিজ করার পরিকল্পনা সরকারের নেই। তবে গুরুত্ব অনুসারে ভাংগা আয়রন ব্রিজের স্থলে গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com