শনিবার, ২৩ মে ২০২০, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
‘‘প্রয়োজন হলে রেখে দিন, না হলে যার প্রয়োজন তাকে দিন ’’ ভান্ডারিয়াবাসীর নিবেদিত প্রান সর্বজনপ্রিয় মিরাজুল ইসলাম বেঙ্গল বিস্কুট এর পক্ষ থেকে দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ গত২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ জনের মৃত্যু এবং নতুন করে আক্রান্ত- ৯৩০ ত্রাণের জন্য শুধু সরকারের ওপর নির্ভরশীল সমীচীন হবে না এমপি বাদশা পরিবারের পক্ষে মেয়র লিটনের ইফতার বিতরণ অব্যাহত রাজশাহীতে এক লাখ ৩০ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে- মেয়র লিটন  স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন মোহনপুরের দুই করোনা রোগি ওসির নির্দেশে সম্পাদকের নামে জিডি, বাংলাদেশ ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরামের উদ্বেগ কর্মহীন কোন মানুষ ত্রাণের বাহিরে থাকবে না: কাঁকনহাট পৌরসভায় মতবিনিময় সভা মেয়র মজিদ গোদাগাড়ীতে কৃষকের ধান কেটে দিলেন জেলা কৃষক দলের নেতৃবৃন্দ
স্বরূপকাঠিতে সাতক্ষীরার সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহের নামে চাদাবাজির অভিযোগ!

স্বরূপকাঠিতে সাতক্ষীরার সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহের নামে চাদাবাজির অভিযোগ!

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি : তথ্য সংগ্রহ সহ সাংবাদিকতার নামে স্বরূপকাঠির সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরার কথিত সাংবাদিক মুরাদের(৫৬) বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সুটিয়াকাঠীর জামাই সাতক্ষীরার বাসিন্দা মৃত কুদ্দুসের ছেলে মুরাদ গত এক সপ্তাহ আগে শশুর বাড়ি বেডাতে আসে অতি গোপনে। অথচ করোনার আতঙ্কে এলাকার বেশীরভাগ লোকজন আতঙ্কিত হলেও কথিত সাংবাদিক নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে গোপনে আসে সুটিয়াকাঠীর মাঝিবাড়ীতে । স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, এলাকার জামাই সাংবাদিকতার পেশাকে কুলশীত করার দুঃসাহস দেখায় সুটিয়াকাঠী এলাকায়। আর তারই ধারাবাহিকতায় গত তিন দিন আগে সাতক্ষীরার বাসিন্দা সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করার জন্য স্থানীয় কোন মিডিয়ার লোকজনের সাথে যোগাযোগ না করে প্রাথমিক ভাবে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে মুরাদ। দ্বিতীয়য়ত মুরাদ নিজেকে ঢাকার দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার সাংবাদিক হিসাবে নিজেকে পরিচয় দিলেও জেলা প্রতিনিধি সহ হেড অফিস তেমন কিছুই জানেন না। তৃতীয়ত মুক্ত খবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধিকে বা স্থানীয় প্রতিনিধিকে কোন বিষয় সিনিয়র সাংবাদিক মুরাদ কাউকেই কোন কিছু অবগত করেননি। বরং তথ্য সংগ্রহ করার নামে শশুর বাড়ি এলাকায় নিজেকে জাহির করার নিমিত্তে এক ধরনের চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
                  এদিকে মুরাদ বালিহারী এলাকার মহিলা মেম্বার সহ এলাকার বহু পুরুষ মেম্বার সহ     বাররা এলাকায় মহিলা ইউপি  সদস্যকে তথ্য সংগ্রহ করার নামে এক পর্যায়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। পাশাপাশি সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান   মোঃ অসীম আকনের সাথে তথ্য সংগ্রহ করার নামে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করা নিয়ে কঠিন তর্কে লিপ্ত হয়ে স্বরূপকাঠি এলাকায় বিতর্কের জন্ম দেয়। তথ্য সংগ্রহ করার নামে মুরাদ নিজেকে অতি উচ্চ মানের লোক ভাবে। পাশাপাশি নিজেকে বিশাল সাংবাদিক হিসাবে জাহির করে।সরেজমিনে জেলার বহু গণ মাধ্যম কর্মীরা গতকাল নেছারাবাদ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের যান তথ্য সংগ্রহ সহ সঠিক চিত্র জানার জন্য। মিডিয়ার সাথে আলাপ চারিতায় মুরাদের বিষয়ে অনেক অজানা তথ্য বের হয়ে আসে। এ ব্যাপারে সয়ং চেয়ারম্যান জেলার গণ মাধ্যম কর্মীদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, আমি অপরাধ করিনি। তবে হ্যা আমি এক পর্যায়ে রাগের মাথায় রূঢ় ভাষায় কথা বলি। তবে মজার বিষয় মুরাদের বিষয়ে আমি প্রথম থেকেই সন্দেহর নজরে রাখি। তাছাড়া আমার ইউনিয়নের মহিলা ও  বহু পুরুষ  মেম্বাররা মুরাদের বিষয়ে টাকা চাওয়ার  অভিযোগ করেন। পাশাপাশি আমি সমগ্র বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ স্থানীয় প্রশাসনের নজরে দেই। মিডিয়ার আর এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, সাতক্ষীরার বাসিন্দা আমাদের এলাকার জামাই মুরাদ নিজেকে সাংবাদিক   জাহির করার নিমিত্তে চাঁদাবাজির অভিযোগে পড়েন।                                           এদিকে  জনমত জরিপে   সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া   মোঃ মুরাদের বিষয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। বিগত সময়ে সাতক্ষীরায় চরম বিতর্কিত হয়।  এরপর ঢাকার সাভার এলাকায় বিভিন্ন চাঁদাবাজির অভিযোগে সাভার থেকে পালিয়ে অন্যত্র পালিয়ে যায়। তবে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে   অভিযুক্ত। এ ব্যাপারে কথা হয় সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের মাঝিবাড়ী মহল্লার   মৃত্যু মজিবরের   জামাই মুরাদের সাথে। জেলার গণ মাধ্যম কর্মীদের কোন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে পারেনি। এ সময়ে এলাকার বেশীরভাগ লোকজন মনে করেন আমাদের এলাকায় জামাই হিসেবে থাকা অপরাধ নয়। বরং চাঁদাবাজি করা মহা অপরাধ। তাছাড়া সাংবাদিক হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য এলাকার বেশীরভাগ সাংবাদিকদের  শরণাপন্ন হয়ে সাংবাদিকতা করলে চমৎকার হতো। বরং লোভে পড়ে তথ্য সংগ্রহ করার নামে জামাই খ্যাত সাংবাদিক মুরাদ নিজেকে চরম বিতর্কিত করে তোলে চাঁদাবাজির কারণে  । এ ব্যাপারে কথা হয় স্বরূপকাঠি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সহ উপজেলার বহ সাংবাদিকদের সাথে। তাদের ভাষ্য, তথ্য সংগ্রহ করার একটা নিয়ম নীতি আছে। তাই জেলা কিংবা বিভাগের সাংবাদিক অথবা হেড অফিসের সাংবাদিকরাও এলাকায় আসলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন। আর এটাই স্বাভাবিক নিয়ম অথচ মুরাদ নিজেকে অতি উচ্চতায় নেওয়ার পরিবর্তে  স্বরূপকাঠি উপজেলার মধ্যে চরম বিতর্কিত করে তোলে চাঁদাবাজ হিসেবে। আসলে এটা আমাদের স্বরূপকাঠির জন্য চরম লজ্জা

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com