বুধবার, ২৯ Jun ২০২২, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি মেম্বার কল্যান এসোসিয়েশন উপজেলা কমিটি গঠন, সভাপতি তারেক সম্পাদক তৌহিদুল মেহেন্দিগঞ্জের চানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পায়তারা  মেহেন্দিগঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামি গ্রেফতার মাহমুদিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির  অভিযোগ ভাণ্ডারিয়ায় ইয়াবাসহ ছাত্রদলের আহবায়ক উজ্জল গ্রেফতার-১ মাদক থেকে দূরে থাকতে খেলাধুলার বিকল্প নেই পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, জাহিদ ফারুক শামীম সন্ত্রাসী হামলায় হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন বরিশালের সাংবাদিক নোমানী এই সরকার জনগণের সরকার হতে পারে নাই-ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আকতার মাস্টারের মৃত্যুতে সান্টুর শোক উজিরপুরে ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক জুয়েলের কুশপুত্তলিকাদাহ, সরফুদ্দিন সান্টুর নিন্দা
বরিশালের তিন জেলার পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনা হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

বরিশালের তিন জেলার পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনা হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলাসহ উপকূলের পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। সোমবার (৯ মে) সকালে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাকেরকাঠি ও নন্দপাড়া গ্রামে পতিত জমিতে বোরো ধান আবাদের ফসল কর্তন উৎসব ও মাঠ দিবসে কৃষিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এসময় মন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলের বেশিরভাগ জমিতে বছরে একটিমাত্র ফসল আমন ধান হয়, আর বাকি সময় পতিত থাকে। এ বিপুল পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। এরই মধ্যে দেশের বিজ্ঞানীরা উন্নত জাতের ধান, মুগডাল, তরমুজসহ বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করেছেন। এর মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতও রয়েছে। এসব জাতের দ্রুত সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বাকেরকাঠি গ্রামে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে প্রথমবারের মতো পতিত জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। লো-লিফট পাম্পের (এলএলপি) মাধ্যমে সেচের ব্যবস্থা করে কৃষকদের চাষে উদ্বুদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। অনুষ্ঠানে কৃষকরা লো-লিফট পাম্পের অভাব, খাল না থাকা ও পাওয়ার টিলার না থাকাকে জমি পতিত থাকার ক্ষেত্রে মূল সমস্যা হিসেবে মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, লো-লিফট পাম্প, খাল খনন-পুনঃখনন ও পাওয়ার টিলার সরবারহ করার জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে সম্পৃক্ত করে এ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি করতে পারলে এসব এলাকার কৃষিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে। পতিত জমি চাষের আওতায় আসবে। অন্যদিকে এক ফসলি জমি দুই-তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হবে। এর মাধ্যমে বরিশাল পুনরায় বাংলাদেশের শস্যভাণ্ডারে পরিণত হবে। পরে দুপুরে কৃষিমন্ত্রী পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বদরপুর ও করমজাতলা গ্রামে মুগ ডালের মাঠ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বলেন, পটুয়াখালী, ভোলাসহ এ অঞ্চলে মুগ ডালের সম্ভাবনা অনেক। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকার কৃষকদের উন্নতমানের বীজসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উন্নত জাতের বারি মুগডাল-৬ এর উৎপাদনশীলতা অনেক ভালো। বিঘাতে ৫-৬ মণ। এবছর শুধু পটুয়াখালী জেলাতেই প্রায় এক লাখ হেক্টর জমিতে মুগডাল চাষ হয়েছে। আর পটুয়াখালী ও ভোলা দুই জেলা মিলে বছরে ২ লাখ টন মুগ ডাল উৎপাদন হয়। এই মুগডালের চাষকে আরও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মুগডালের মাড়াই সমস্যা সমাধানের জন্য যন্ত্র দেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে আমাদের বিজ্ঞানীরা মাড়াইযন্ত্র তৈরি করেছেন, যার দাম ৬০-৭০ হাজার টাকা। আগামী বছর ভর্তুকিমূল্যে এ যন্ত্র কৃষকদের দেওয়া হবে। এর ফলে দাম পড়বে ২৫-৩০ হাজার টাকা। এতে কৃষকদের উৎপাদন খরচ কম পড়বে, তারাও লাভবান হবেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com