মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
ভ্যাকসিন তৈরিতে এগিয়ে আছে যারা

ভ্যাকসিন তৈরিতে এগিয়ে আছে যারা

নোভেল করোনা ভাইরাস মহামারী ঠেকাতে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ভ্যাকসিনের সন্ধান দিতে পারেননি বিজ্ঞানী কিংবা গবেষকরা। এখনো চলছে ভ্যাকসিনের খোঁজ। এই ভ্যাকসিনের খোঁজে রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপান ও চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চালানো হয়েছে মানবদেহে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন-জামিউর রহমান জিসান

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১৩টি ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং আরও ১২০টি ভ্যাকসিন উন্নয়নের প্রাথমিক ধাপে রয়েছে। চীনের ছয়টি ভ্যাকসিন নিয়ে মানবদেহে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে জার্মান কোম্পানি কিউরভ্যাক বলছে, তাদের তৈরি ভ্যাকসিনের প্রথম ফলাফল এ বছরের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে জানা যেতে পারে।

যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মডার্নার তৈরি দুটি ভ্যাকিসন এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আলোচনায় রয়েছে। অন্যদিকে বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী হিসেবে পরিচিত গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) গত শুক্রবার তাদের ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা পর্যায়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ভ্যাকসিন পরীক্ষার তৃতীয় ধাপে রয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও মডার্না।

ইসরায়েল ইনস্টিটিউট ফর বায়োলজিক্যাল রিসার্চ সেন্টার দাবি করেছে, তারা ইঁদুরের ওপর করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের সফল পরীক্ষা করেছে। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছরের শেষ নাগাদ বা তার আগেই ভ্যাকসিন তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে যাওয়ার আশা করছেন গবেষকরা।

চায়না ডেইলি ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল বায়োলজির একটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন চীনে মানবপরীক্ষার দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করেছে। চায়নিজ একাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্সের অধীনে থাকা ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল বায়োলজির গবেষকরা এর আগে পোলিও ও হেপাটাইটিস এ-এর জন্য ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন। তারা কোভিড-১৯ এর জন্য একটি নিষ্ক্রিয় ভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম পর্বের পরীক্ষা চালিয়ে সফল হওয়ার দাবি করেছেন। ভ্যাকসিনটির দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় মানবদেহে এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিরূপণ ও নিরাপত্তার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে। চলতি বছরের শেষ দিকে এ কারখানা থেকে ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু করবে তারা।

নিউইয়র্ক টাইমস ভ্যাকসিনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি ভ্যাকসিন ট্র্যাকার অনুযায়ী নতুন করে মস্কোর গামেলা রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও জার্মানির কিউরভ্যাক প্রথম ধাপের পরীক্ষা শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ছাড়াও ভ্যাকসিন তৈরির পথে রয়েছে জাপান। দেশটির জৈবপ্রযুক্তি উদ্যোগ অ্যানজিসের নেতৃত্বে গবেষকদের একটি দল আগামী বছরের মার্চের মধ্যে করোনার ভ্যাকসিনের ১০ লাখ ডোজ উৎপাদনক্ষমতা প্রস্তুত করবে। দেশটির জনগণকে দ্রুত ভ্যাকসিন সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রকৃত পরিকল্পনার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ক্লোভার জানিয়েছে, তাদের কোভিড-১৯ এস-ট্রিমার সাব-ইউনিট ভ্যাকসিন প্রথম ধাপে মানবপরীক্ষায় শুরু হয়েছে। তারা চীনের ষষ্ঠ ভ্যাকসিন নির্মাতা হিসেবে মানবপরীক্ষার ধাপে পৌঁছেছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com