রবিবার, ২৬ মার্চ ২০২৩, ০২:২১ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
নওগাঁ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এম.পি ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস উপলক্ষ্যে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী’র পক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে ক্ষমতায় না আনলে সুবিধাভোগীদের সকল ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে -পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ৪ ফেব্রুয়ারী বরিশাল বিভাগীয় বিএনপির সমাবেশ সফল করতে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ৪ ফেব্রুয়ারী বিএনপি বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার পত্র বিতরণ ৪ ফেব্রুয়ারী বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ রিক্সা পেয়ে আনন্দে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে জড়িয়ে কাঁদলেন অক্ষমবৃদ্ধ ও দুপা-বিহীন প্রতিবন্ধী মুলাদীতে আজাহার উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচিত হওয়ার অভিযোগ
১৩ ব্যাংক বড় অঙ্কের মূলধন সংকটে

১৩ ব্যাংক বড় অঙ্কের মূলধন সংকটে

দেশের অর্থনীতিতে করোনা ছোবল হেনেছে এপ্রিলের পর থেকে। প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। সাধারণ ছুটি শুরু হয় ২৬ মার্চ। কিন্তু মার্চভিত্তিক কার্যক্রমে সংকট বেড়েছে ব্যাংক খাতে। করোনার সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে অর্থনীতির রক্তসঞ্চালক ব্যাংক খাতকে বাঁচাতে নানা ধরনের ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু মন্দার শুরু আগেই বেকায়দায় রয়েছে বেশ কয়েকটি ব্যাংক।

১৩টি ব্যাংক প্রয়োজনীয় মূলধন সংরক্ষণ করতে পারেনি। আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসারে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি রয়েছে ২৫ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা। এসব ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নতুন করে কোনো ঝুঁকি এলে ব্যাংক সেটি মোকাবিলার পরিবর্তে নিজেই বড় ধরনের সংকটে পড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে মূলধনে ঘাটতিতে পড়া ব্যাংক ছিল ১২টি। তিন মাসে সংকটপূর্ণ ব্যাংক একটি বেড়েছে। মূলধন ঘাটতিতে পড়া ১৩ ব্যাংকের মধ্যে ৭টি সরকারি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূলধন ঘাটতি রয়েছে সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত খাতের বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের। মার্চ শেষে ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি হয়েছে ৯ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা। তিন মাস আগে গত ডিসেম্বরে ছিল ৯ হাজার ৪১১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে আরেক সরকারি ব্যাংক সোনালীর। দেশের শীর্ষ এ ব্যাংকের ডিসেম্বরে মূলধন ঘাটতি ছিল ৯ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। সরকারি অন্য

ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতার ২ হাজার ৫৬৩ কোটি, অগ্রণীর ২ হাজার ৪৭৫ কোটি, বেসিকের ১ হাজার ৫৪ কোটি ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) ৮৫৬ কোটি ও রূপালী ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি রয়েছে ৪৪৪ কোটি টাকা।

বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে আইসিবির ১ হাজার ৬০৭ কোটি, বাংলাদেশ কমার্সের ৯৩৫ কোটি, পদ্মার ৩২৫ কোটি, বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ব্যাংকের ৮ কোটি, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ৮ কোটি ও বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংক ও পাকিস্তানের ৭৭ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতি রয়েছে। ডিসেম্বরে মূলধন উদ্বৃত্ত থাকলেও মার্চে ঘাটতিতে পড়েছে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক।

আন্তর্জাতিক ব্যাসেল-৩ নীতিমালা অনুসারে কোনো ব্যাংকের ৪০০ কোটি অথবা মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ১০ শতাংশের মধ্যে যেটি বেশি তা মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হয়। গত মার্চ শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ ছিল ১০ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৩ কোটি টাকা মূলধন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল। ১৩ ব্যাংকের ঘাটতি হলেও অনেক ব্যাংক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মূলধন সংরক্ষণ করেছে। ফলে সামগ্রিকভাবে মূলধন সংরক্ষণ করা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ২১৪ কোটি টাকা, যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি। এতে সামগ্রিকভাবে মূলধন পর্যাপ্ততার হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যেখানে প্রয়োজন ১০ শতাংশ।

করোনা সংকটের কারণে ঋণ আদায় হবে না, খেলাপি ঋণ বাড়বে ব্যাংকগুলো নগদ টাকা ও মূলধনের সংকটে পড়বে এমন আশঙ্কা পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোও করেছে। মূলধনের ভিত্তি শক্তিশালী করে করোনা সংকট মোকাবিলায় ব্যাংকগুলোকে সক্ষম করতে ইউরোপের দেশগুলো ও ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লভ্যাংশ বিতরণ স্থগিত করেছে। বাংলাদেশে এটি করা হলেও পরে সামান্য শিথিল করা হয়। এ ছাড়া অনাদায়ী ঋণকে খেলাপি না দেখানো ও নীতিগত নানা ধরনের ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের জোগান দেওয়া অর্থ ও মুনাফার একটি অংশ মূলধন হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। কোনো ব্যাংক মূলধনে ঘাটতি রেখে তার শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দিতে পারে না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অনিয়ম, দুর্নীতি আর নানা অব্যবস্থাপনায় ব্যাংক খাতে ঋণ শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। ন্যূনতম যাচাই-বাছাই না করেই নামসর্বস্ব ভুয়া প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়া হয়েছে। আবার ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ঋণ বের করে নেওয়া হচ্ছে। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর এসব ঋণের বড় অংশই খেলাপি হয়ে পড়ছে। এসব ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে। বাড়তি অর্থ জোগাতে হাত দিতে হচ্ছে মূলধনে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে সংকট। মূলধন ঘাটতিতে পড়লে ব্যাংকের সুনাম নষ্ট হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে সরাসরি ব্যবসা করতে পারে না এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বল্প সুদের ঋণপ্রাপ্তির যোগ্যতা থাকে না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com