মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
ডিজিটাল অ্যাক্ট বেশি করে প্রয়োগের পক্ষে বরিশাল জেলা প্রশাসন অতীতের নিয়োগ বানিজ্যের ইতিহাস ভুলে যান : শ.ম রেজাউল করিম ইন্দুরকানীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর ৫বস্তা চাল উদ্ধার, আটক দুই উজিরপুর ও বাকেরগঞ্জ দুই পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা বরিশালে সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ পটুয়াখালীতে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন দপ্তর- সংস্থা সমূহের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাওদা হত্যা: আসামী রাসেলের যাবজ্জীবন কারাদন্ড গলাচিপায় নবান্নের আনন্দের আমন ধান কাটার ধুম বেতাগী পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অর্ধ-ডজন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী বাংলাদেশী জাহাঙ্গীরের আমেরিকায় ডাবল স্বর্ণ পদক জয়
ভারতের ১৪৯ মিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনারা

ভারতের ১৪৯ মিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনারা

ভারত-চীনের উত্তেজনার মধ্যে ভারতীয় সেনারা দাবি করেছে, চীনা সেনারা ভারতের ভূ-খণ্ডের ১৪৯ মিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে। এ ছাড়া তারা ভারতীয় সীমানার মধ্যে স্থাপনা তৈরি করেছে বলে দাবি ভারতের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, লাদাখের গালওয়ান উপত্যকার পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪-এর কাছে চীনা সেনাদের তাঁবু তৈরি নিয়ে ভারত-চীনের সংঘর্ষ হয়েছিল। এরপরও ওই এলাকাসহ গালওয়ানে তাঁবু, রাস্তা তৈরির কাজ থামায়নি চীনা সেনারা।

ভারতীয় সেনা সূত্রের দাবি, গালওয়ান নদীর বাঁকে যে এলাকায় চীনা শিবিরগুলো তৈরি হয়েছে, তার কৌশলগত তাৎপর্য অনেক। কারণ তা থেকে গালওয়ান নদীর তীরে ভারতীয় সেনা শিবিরের উপরে সরাসরি নজর রাখা যায়। ওই এলাকায়, বস্তুত পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪ এর কাছেই গালওয়ান নদী শাইয়োক নদীতে মিশেছে।

ভারতীয় সেনা সূত্রের মতে, ওই এলাকায় বরাবরই টহল দিত ভারতীয় সেনারা। কিন্তু চীনা শিবিরের জন্য সেটা আর সম্ভব নয়।

এক সেনা কর্তা এ বিষয়ে বলেন, ‘চীনা সেনারা ভারতীয় ভূ-খণ্ডের মধ্যে ১৪৯ মিটার ঢুকে এসেছে।’

ভারতীয় সেনা সূত্র জানায়, চীনা সেনারা ওই এলাকায় তাঁবু নিয়ে এসে বসাচ্ছে। সেখানে গোলাপি ত্রিপলের বদলে দেখা যাচ্ছে কালো ত্রিপল। চীনা সেনারা বিশেষ ধরনের পোশাকও ব্যবহার। ওই পোশাকের নিচের অংশ ওয়াটারপ্রুফ কাপড়ে তৈরি। তাতে নদীতে নেমে কাজ করতে সুবিধা হচ্ছে তাদের।

এক সেনা কর্তা বলেন, ‘চীনারা ওই এলাকায় স্থায়ীভাবে থাকার প্রস্তুতি চালাচ্ছে, সন্দেহ নেই। পিছু হটার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।’

এদিকে, কাশ্মীরের শ্রীনগর, জম্মুর সুঞ্জওয়ান ও দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে ক্রমাগত সেনা ও রসদ লাদাখে নিয়ে যাচ্ছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বিমান।

কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গডকড়ী বলেছেন, ‘জম্মু-কাশ্মীর, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান ও হিমাচল প্রদেশের সীমান্ত এলাকায় একাধিক সড়ক তৈরির কাজ চলছে। প্রয়োজনে রানওয়ের কাজও করতে পারে এমন ১৭টি সড়ক তৈরির কাজ চলছে। তার মধ্যে তিনটি শেষ হয়ে গিয়েছে।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com