শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
উজিরপুর ও বানারীপাড়ায় এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর নেতৃত্বে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা আসন্ন বিসিসি নির্বাচন: তৃণমুলের দাবি সান্টু তৃণমুলের নিরেট কর্মী থেকে কেন্দ্রিয় নেত্রী ও বরিশাল বিএনপির অভিভাবক রাজনৈতিক অনবদ্যতায় শিরিন দখিনের খবরের প্রধান সম্পাদক ডা: সমীর কুমার চাকলাদারের সফল অস্ত্রোপচার বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত
মূত্রথলির ক্যানসার এবং করণীয়

মূত্রথলির ক্যানসার এবং করণীয়

জুলাই মূত্রথলির ক্যানসার সচেতনতা মাস। যেসব কারণে মূত্রথলির ক্যানসার ক্যানসার হয়, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ধূমপান বা তামাক সেবন [নারীর চেয়ে পুরুষের মধ্যে ধূমপানের অভ্যাস বেশি থাকায় পুরুষ-নারী ক্যানসারের হার ৪.১]। ধূমপান ছাড়া অন্যান্য যেসব কারণে ব্লাডার ক্যানসার হয়, তার মধ্যে আছে কাপড়ের রঙ, অ্যাসবেস্টল ফাইবার, ক্যানসারের ওষুধ ও বিলহারজিয়াস্টিসস। পেটের উপরিভাগ পেছনের দুদিকে দুটি কিডটি থাকে। এখানে রক্ত শোধন করে প্রস্রাব তৈরি হয় এবং রক্তের দূষিত পদার্থ, গ্যাস প্রস্রাবের সঙ্গে মিশে ইউরেটার দিয়ে মূত্রথলিতে গিয়ে জমা হয়।

৪৫০ মিলিলিটার পর্যন্ত মানুষ প্রস্রাব না করে থাকতে পারে। ৬০০ মিলিলিটার জমা হলে ব্যথা অনুভূত হতে থাকে। এ প্রস্রাবের থলিতে বিভিন্ন রোগের মতো ক্যানসারও হতে পারে। মূত্রথলিতে এ রোগ সংক্রমণ খুবই সহজ। কারণ প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে সহজে কোনো জীবাণু কিংবা ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে, বিশেষ করে যৌনমিলনের সময়। এটি পুরুষের তুলনায় নারীর ক্ষেত্রে বেশি হয়ে থাকে। কারণ নারীদের প্রস্রাবের রাস্তা পুরুষের তুলনায় ছোট। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়ার সময় ব্যথা থাকতে পারে, নাও থাকতে পারে।

তবে জমাট রক্ত বেল হলে প্রায় নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়া যায় যে, টিউমার হয়েছে। এ ছাড়া ব্যথা, প্রস্রাব করতে কষ্ট পাওয়া এবং বিলম্ব করতে না পারা এসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এ জন্য রক্ত পরীক্ষা, প্রস্রাব, আল্ট্রাসনোগ্রাফি সস্টোঙ্কোফ বায়োপসি, এমআরআই ইত্যাদি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। সূচনায় ধরা পড়লে সিস্টোস্কোপির মাধ্যমে টিউমার পুরোপুরি তুলে দিলে নিরাময় সম্ভব। মাংসের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে প্রথমে কয়েক কোর্স কেমোথেরাপি দিয়ে পক্ষে রেডিওথেরাপি দিতে হয়। [মূত্রথলি ভেতরের আবরণে উপরিভাগে থাকলে থলির ভেতর ইন্ট্রাভেসিকেল ইনজেকশন পুশ করে নির্দিষ্ট সময় রেখে বের করে দেওয়া হয়]।

আর মাংসের গভীরে বিস্তার লাভ করে থাকলে সিস্টেমিক কেমো দিতে হয় এবং কখনওবা রেডিওথেরাপি দিতে হয়। এসব ব্যবস্থায় ক্যানসার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অপারেশন করে মূত্রথলি ফেলে দিয়ে প্রস্র্রাব জমা করার জন্য ব্যাগ লাগিয়ে দেওয়া হয় অথবা একটি কৃত্রিম মূত্রথলি তৈরি করে দেওয়া হয়। তাই প্রাথমিক পর্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নিন, ভালো থাকুন। করোনাকালীন ঘরেই থাকুন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com