বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০১:৩৪ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
সমুদ্রের ভাঙনে বিলীন হচ্ছে কুয়াকাটার সৌন্দর্য্য

সমুদ্রের ভাঙনে বিলীন হচ্ছে কুয়াকাটার সৌন্দর্য্য

কলাপাড়া প্রতিবেদক ॥ সমুদ্রের ঢেউয়ের তোড়ে অব্যাহত ভাঙনের ফলে প্রতিনিয়ত বিলীন হচ্ছে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকতের সৌন্দর্য্য। চলতি বর্ষা মৌসুমের অস্বাভাবিক জোয়ারের তান্ডবে ভাঙন আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। আর ঢেউয়ের ঝাঁপটায় ধুয়ে যাচ্ছে ভাঙন রোধে সৈকতে ফালানো জিও ব্যাগ ভর্তি বালু। ইতোমধ্যে অস্বাভাবিক জোয়ার ও ঢেউয়ের তান্ডবে গাছপালাসহ বেশকিছু স্থাপনাও বিলিন হয়ে গেছে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সৈকতের শূন্য পয়েন্টে থাকা পাবলিক টয়লেট। এদিকে জোয়ারের পানিতে সৈকত তলিয়ে থাকায় পর্যটকদের বাধ্য হয়ে রাস্তায় কিংবা একটু উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের বিশাল জলরাশি উপভোগ করতে হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সমুদ্রের ঢেউয়ের ঝাঁপটা ও অব্যাহত বালুক্ষয়ে দীর্ঘ প্রায় ১৮ কিলোমিটার সৈকত জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য গাছের মূল। প্রচন্ড ঢেউয়ের ঝাঁপটায় গাছের মূল থেক বালু সরে যাওয়ায় গাছ উপড়ে পড়েছে। জোয়ারের সময় সমুদ্রস্নানে মারাত্মক অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের। এছাড়া সৈকতের সবুজ বেষ্টনী, কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান, দোকান-পাটসহ মসজিদ-মন্দির ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দশ বছরে কুয়াকাটা সৈকত লাগোয়া হাজার হাজার নারিকেল গাছ, ঝাউ বনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ও একাধিক স্থাপনা সাগরে বিলীন হয়ে গেছে। জোয়ারের সময় সৈকতের বেলাভূমিতে এখন আর ওয়াকিং জোন থাকে না। বর্তমানে এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাসহ ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন। এদিকে ভাঙন রোধ করতে জরুরি ভিক্তিতে কুয়াকাটা পৌরসভা অস্থায়ীভাবে কাজ শুরু করেছে।
কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা পর্যটক মাসুম বিল্লহ্ বলেন, জোয়ারের সময় সৈকত পানিতে তলিয়ে থাকে। এ সময় রাস্তায় কিংবা একটু উঁচু স্থানে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের বিশাল জলরাশি উপভোগ করতে হয়। এছাড়া সৈকতে পড়ে থাকা গাছে মুল কিংবা বিভিন্ন স্থাপনার ইট পথর গোসলের সময় মারাত্মক ঝুঁকি। এগুলো অপসারণ করা প্রয়োজন বলে তিনি জানান।
সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এ.এম মিজানুর রহমান বুলেট বরিশালটাইমসকে জানান, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দর্শণের প্রসিদ্ধস্থান খ্যাত পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকত শ্রীহীন হয়ে পড়ছে। সাগরের ঢেউয়ের ঝাপটায় প্রতিনিয়ত বালু ক্ষয় হতে থাকলে সৈকত তার সৌন্দর্য্য হারাবে। তাই জরুরী ভিত্তিতে সৈকতের বালু ক্ষয় রোধ করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
কুয়াকাটা পৌর মেয়র আ: বারেক মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, সমুদ্র সৈকত রক্ষা করা কুয়াকাটা পৌর সভার একার পক্ষে সম্ভব নয়। পানিউন্নয়ন বোর্ডকে বারবার অবহিত করা হলেও তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তারপরও পাবলিক টয়লেট ও জিরো পয়েন্ট রাস্তা রক্ষার্থে পাচঁ শতাধিক বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফালানো হয়েছে। সৈকতের ভাঙন রোধে তিনি দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কলাপাড়া সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.ওয়ালিউজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, বর্তমানে যে বালু ক্ষয় হচ্ছে এর জন্য কোন প্রকল্প নেই। যদি বড় আকারে কোন ভাঙন দেখা দেয় তাহলে জরুরি ভিক্তিতে কাজ করা হবে। কুয়াকাটা সৈকত রক্ষার জন্য একটি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com