রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি সুবেদ আলী ভূঁইয়ার পরিবার বিএনপিতে যোগদান পিআরএফ নতুন কমিটি গঠন,  কাওছার সভাপতি, ইউসুফ সম্পাদক বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সর্ব বৃহত্তম নারী সমাবেশে রহমাতুল্লাহ
আমার প্যান্ট রক্তে ভিজে গেছে, আমি মাটিতে পড়ে গেলাম: পংকজ দেবনাথ

আমার প্যান্ট রক্তে ভিজে গেছে, আমি মাটিতে পড়ে গেলাম: পংকজ দেবনাথ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ শেখ হাসিনাকে হত্যা করে বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিলো বলে মন্তব্য করেছেন সেদিনের হামলায় আহত এমপি পংকজ দেবনাথ। তখন তিনি আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে পংকজ দেবনাথ বলেন, গ্রেনেডের স্প্লিন্টার আমার পায়ে ঢুকে গেছে কিন্তু আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি। মানুষ চারিদিকে ছোটাছুটি করছে, তখনও বুঝতে পারিনি কী হয়েছে। পংকজ দেবনাথ বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ ছিলো। বিকেল ৫টা ২০ বা ২১ মিনিটের দিকে নেত্রী বক্তৃতা শেষ করে ট্রাকের ওপর স্থাপিত মঞ্চ থেকে নামছেন, এমন সময় ফটো সাংবাদিকরা ছবি তুলছিলো। নেত্রী দাঁড়ালেন আর গ্রেনেড বিস্ফোরণের শব্দ। আসলে গ্রেনেড হামলা বা বিস্ফোরণের শব্দ সম্পর্কে তো অভিজ্ঞতা ছিলো না। স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। কী হলো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমি ছিলাম ট্রাকের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মঞ্চের পাশে, যেখানে নেত্রীর গাড়ি রাখা হয়েছিলো। আমরা গাড়ি ঘিরে রেখেছিলাম। মিছিল বের হবে, আমরা গাড়ির সঙ্গে ৩২ নম্বর পর্যন্ত যাবো এই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। একের পর এক গ্রেনেডের শব্দ, কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখালাম হাজার হাজার মানুষ ছোটাছুটি শুরু করে দিলো। ট্রাকের ওপর মঞ্চে সিনিয়র নেতারা দেখলাম নেত্রীকে ঘিরে রেখেছেন। তারা মানবঢাল তৈরি করে নেত্রীকে রক্ষা করেছিলেন।
আমার কী হয়েছে তা বুঝতেই পারিনি। বিস্ফোরণের শব্দ থেমে গেলো। হুড়োহুড়ির মধ্যে নেত্রীকে ঘিরে দ্রুত গাড়িতে তোলা হলো। আবার হামলা হলো, বিকট শব্দ। তখন আমি বুঝলাম, বাম পায়ে শক্তি পাচ্ছি না। আমার প্যান্ট রক্তে ভিজে গেছে, আমি মাটিতে পড়ে গেলাম। পাশেই মোস্তাক আহমেদ সেন্টু, কুদ্দুছ মারা গেলো। পংকজ বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শান্তির পক্ষে ছিলো এই মিছিল-সমাবেশ। এই সমাবেশে হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে রাজনীতিকে মেধাশূন্য এবং বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করতে চেয়ছিলো। ওই মঞ্চে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। হাওয়া ভবন থেকে এই ষড়যন্ত্র হয়েছিলো, তারেক রহমান জাড়িত ছিলো এটা মামলার বিচারের তদন্তেও উঠে এসেছে। তারা এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালির বাতিঘর শেখ হাসিনাকে হত্যা করে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র বানাতে চেয়েছিলো। ৭১, ৭৫ আর ২১ আগস্টের হত্যাকা- এক ও অভিন্ন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com