বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০২:১৩ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
মুলাদীতে দুই নদীর ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে ১২টি গ্রাম

মুলাদীতে দুই নদীর ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে ১২টি গ্রাম

মুলাদী প্রতিনিধি ॥ মুলাদীতে আড়িয়ালখাঁ ও জয়ন্তী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অব্যাহত নদী ভাঙনে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে ১২টি গ্রাম। নদীর পানিবৃদ্ধি এবং অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে ব্যাপক ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় নদী গর্ভে বিলীন হতে যাচ্ছে উপজেলার ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি মাদরাসা, ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদী শাসন না হলে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে হারিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। জানাগেছে, উপজেলার আড়িয়ালখাঁ নদীর ভাঙনে ইতোমধ্যে নাজিরপুর ইউনিয়নের সাহেবেরচর, ঘোষেরচর, কাচ্চিচর, পশ্চিম তেরচর ভাঙ্গারমোনা, পশ্চিম সেলিমপুর, উত্তর সেলিমপুর, পশ্চিম চরকালেখান, নাজিরপুর বয়াতী বাড়ির অধিকাংশ এলাকা নদী গর্ভে হারিয়ে গেছে। জয়ন্তী নদীর ভাঙনে উপজেলার চরমালিয়া, বালিয়াতলী, ঘুলিঘাট, আলিমাবাদ গ্রামের অনেকাংশ ভেঙে গেছে। নদী ভাঙনের ফলে গ্রামের মানচিত্র ক্রমান্বয়ে ছোট হচ্ছে। মুলাদী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. কামরুল আহসান জানান আড়িয়ালখাঁ নদীর ভাঙনে তার ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী চরলক্ষ্মীপুর ফাযিল মাদরাসা, তেরচর ভাঙ্গারমোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হুমকির মুখে রয়েছে।
নাজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু হাসানাত জাপান জানান নদী ভাঙনে ঘোষেরচর দাখিল মাদরাসা, কাচ্চিচর দাখিল মাদরাসা, নাজিরপুর বন্দর ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বাটামারা ইউপি চেয়ারম্যান মো. শহীদুল ইসলাম সিকদার জানান আড়িয়ালখাঁ ও জয়ন্তী নদীর ভাঙনে তাঁর ইউনিয়ন সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যেতে পারে। নদী ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে এ বি আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাটামারা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। সফিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু মুছা হিমু মুন্সী জানান, মুলাদী উপজেলায় তার ইউনিয়ন সবচেয়ে জনবহুল এলাকা। জয়ন্তী নদীর ভাঙনে কয়েক হাজার পরিবার ভিটেমাটি হালিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। নদী ভাঙনে ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধুর দাফনকারী সাবেক যুগ্ম সচিব মরহুম আ: কাদেরের কবরটিও বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে ব্রজমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সফিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। অতি দ্রুত নদী শাসন করে ভাঙন রোধ করা প্রয়োজন।
নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, ২০১৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এবং বরিশাল-৩ আসনের এমপি আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া টিপু ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে সফিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ব্রজমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষার জন্য ৫০ মিটার বেড়িবাঁধ ও বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু নদীর ব্যাপক ভাঙনে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। মুলাদী-বাবুগঞ্জ আসনের এমপি আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া টিপু জানান, নদী ভাঙনের বিষয়টি নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কথা হয়েছে। ভাঙন রোধে বাটামারা ও নাজিরপুর ইউনিয়নের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে বরাদ্দকৃত টাকায় কাজ শুরু করার কথা রয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com