রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি সুবেদ আলী ভূঁইয়ার পরিবার বিএনপিতে যোগদান পিআরএফ নতুন কমিটি গঠন,  কাওছার সভাপতি, ইউসুফ সম্পাদক বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সর্ব বৃহত্তম নারী সমাবেশে রহমাতুল্লাহ
বড় লোকসানের শঙ্কায় কৃষকরা

বড় লোকসানের শঙ্কায় কৃষকরা

বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে। তবে এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে পেঁয়াজ বাজারে আসেনি। চাষিদের মতে আরও একসপ্তাহ লাগবে পেঁয়াজ পুরোপুরি ঘরে তুলতে। এ সময়ে যদি ভারতীয় পেঁয়াজ আসে তা হলে ভালো দাম তো পাবেই না; বরং বড় ধরনের লোকসানে পড়তে হতে পারে। পাবনার সুজানগর উপজেলার মধুপুর গ্রামের কৃষক মো. বাবুল হোসেন ৫ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছেন। তিনি জানান, প্রতি বিঘা জমিতে পেঁয়াজ লাগানো থেকে শুরু করে জমি থেকে উঠানো পর্যন্ত ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। পেঁয়াজ উঠানোর মৌসুমে সরকার পেঁয়াজ আমদানি না করলে কৃষকরা ভালো দাম পাবেন। এই সময় পেঁয়াজ আমদানি হলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

একই উপজেলার চরগোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক গোলজার হোসেন লাল জানান, বর্তমানে পেঁয়াজ উৎপাদনের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ভালো দামের আশায় অনেক কৃষক পেঁয়াজ আবাদ করেছেন। বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি হলে কৃষকরা মারা যাবেন।

দুর্গাপুর গ্রামের কৃষক রেজাউল করিম জানান, এখন মূলকাটা পেঁয়াজ উঠানো শুরু হয়েছে এবং দানা বা চারা পেঁয়াজ লাগানো হচ্ছে। অনেক টাকা ব্যয় করে পেঁয়াজ আবাদ করে দাম কম পেলে কৃষকের মাথায় হাত পড়বে, সর্বনাশ হয়ে যাবে।

পেঁয়াজ আমদানিকারক ওমর ফারুক বলেন, ভারত কখনো আগাম কিছু জানিয়ে রপ্তানি বন্ধ ও প্রত্যাহার করে না। এখন অনেক আমদানিকারকের পেঁয়াজ কনটেইনারে আটকা আছে। যেগুলো বেশি দামেই কেনা রয়েছে। এখন ভারতীয় পেঁয়াজ এলে ক্ষতির সম্মুখীন হবে ব্যবসায়ীরা। এছাড়া দেশি চাষিরাও ক্ষতির মুখে পড়বেন।

ভারতে নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করায় দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাদের পেঁয়াজ রপ্তানি নীতি সংশোধন করে রপ্তানি বন্ধের আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্য বৃদ্ধি ও মজুদ ঘাটতির কারণে গত ১৪ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানিতে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত। এই পরিস্থিতিতে গত বছরের মতো মিয়ানমার, পাকিস্তান, চীন, মিসর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নানা রঙের ও স্বাদের পেঁয়াজ আমদানি করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে সরকার।

পাশাপাশি ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক প্রত্যাহার করে নেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com