বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
সংকটকালে দুয়ারে ঈদ দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শুক্রবার বরিশাল দি-নিউ লাইফের পক্ষ থেকে দুঃস্থ অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী প্রদান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সবসময় সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে কাজ করে যাচ্ছেন-এমপি শাওন গৌরনদীতে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর পক্ষে ঈদ সামগ্রী বিতরণ বাবুগঞ্জে মাধবপাশায় অসহায়দের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ কলাপাড়ায় অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে এমপি অধ্যক্ষ মহিবের খাদ্য সহায়তা বিতরন গৌরনদীতে অজ্ঞাতনামা বাসের চাঁপায় ২ মাহিন্দ্রা যাত্রী নিহত॥ মাহিন্দ্রার চালকসহ আহত ২ বাকেরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঈদের আগে অর্থ সহায়তা পেয়ে খুশি কর্মহীন পরিবারের সদস্যরা
ইলিশের আকাল, ঋণের বোঝা নিয়ে হতাশায় জেলেরা

ইলিশের আকাল, ঋণের বোঝা নিয়ে হতাশায় জেলেরা

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে দীর্ঘ দুই মাস পর ইলিশ শিকার করতে গিয়ে জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। নদীতে গিয়ে ইলিশ না পেয়ে চরম হতাশা নিয়ে ঘাটে ফিরছেন জেলেরা। জেলেরা বলছেন, দীর্ঘ দুই মাসের ধার-দেনা ও ঋণ পরিশোধের স্বপ্ন নিয়ে ইলিশ শিকার করতে নদীতে যাচ্ছেন তারা। কিন্তু নদীতে গিয়ে ইলিশ না পাওয়ায় হতাশা নিয়ে ফিরছেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে গত শনিবার মধ্যরাতে ধার-দেনা ও ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারের নেমে পড়েন জেলেরা। কিন্তু নদীতে জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলছেন না জেলেদের জালে। দুই মাসের ধার-দেনা, মহাজনের কাছ থেকে দাদন ও এনজিওর কিস্তি পরিশোধ তো দূরের কথা ট্রলারের তেলের খরচও উঠছেন জেলেদের। ধনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেঘনা নদীর জেলে মো. ইউনুছ মাঝি জানান, দুই মাস পর অনেক স্বপ্ন নিয়ে নদীতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হতাশ হয়ে ট্রলার নিয়ে তীরে ফিরে এসেছি। তারা আরও জানান, শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে সোমবার পর্যন্ত নদীতে জাল ফেলে প্রতিদিন ৩-৪টি ইলিশ মাছ পায়। নাছির মাঝি এলাকার জেলে ভূট্ট মাঝিসহ একাধিক জেলেরা জানান, আমরা ১০ জন জেলে প্রতিদিন ট্রলার নিয়ে প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ করে নদীতে যাচ্ছি। কিন্তু যে পরিমাণ মাছ পাই তা ৩-৪ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারি। এতে তেলের খরচও উঠেনি। তারা আরও জানান, ভাবছিলাম অভিযানের পর নদীতে গিয়ে অনেক মাছ ধরে ধার-দেনা পরিশোধ করতে শুরু করমু। আমাদের দুঃখ দুর হবে কিন্তু তা আর হলো না। অভিযানের দুই মাস যে ধার-দেনা ও এনজিওর কিস্তির টাকা বাকি ছিল তা এখন পরিশোধ করমু কেমনে। ধনিয়া তুলাতুলি মৎস্য ঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী আবু তাহের দালাল জানান, অভিযানের সময় আমরা মৎস্য আড়ৎদাররা ঢাকা, বরিশাল ও খুলনার পাইকারদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে জেলেদের দাদন দিয়েছি। কিন্তু এখন জেলেরা নদীতে গিয়ে ৩-৪টি মাছ নিয়ে ফেরায় আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজহারুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত নোনা পানি ও দীর্ঘ দিন বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদীতে মাছের পরিমাণ কম। তবে আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে সাগর থেকে প্রচুর ইলিশ নদীতে উঠে আসবে। তখন নদীতে জেলেরা ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ শিকার করতে পারবেন। উল্লেখ্য, ইলিশের আভয়াশ্রম হওয়ায় গত ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ভোলার ১৯০ কিলোমিটার নদীতে ইলিশ শিকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সরকার।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com