বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
চরফ্যাসনে সড়ক দূর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকাসহ নিহত-২, আহত ৪ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে গৌরনদীতে নারী নেত্রীর খাবার বিতরণ বরিশালে ছাত্র ইউনিয়নের জেলা কাউন্সিল বরগুনায় আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার রায় আজ চরফ্যাশনে ধর্ষণ করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গ হারালো মোটরসাইকেল চালক নাঈম পটুয়াখালীতে হাসপাতালের ছাদের পলেস্তারা ভেঙে পড়ল রোগীর স্বজনের মাথায় যাত্রীবাহী লঞ্চে বসছে ক্যাসিনোসহ সকল জুয়ার আসর বরিশালে ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কলাপাড়ায় মাত্র ২ মাইলে ৯ টি সাঁকো, বেড়ীবাঁধ সংলগ্ন মানুষগুলোর দূর্বীসহ জীবন-যাত্রা ঝালকাঠিতে চুল কেটে নারী নির্যাতন মামলার আসামিদের গ্রেফতার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভূক্তভুগী পারভীন
বরিশাল জেলা প্রশাসকসহ ১১জনকে আদালতের শোকজ

বরিশাল জেলা প্রশাসকসহ ১১জনকে আদালতের শোকজ

আঞ্চলিক প্রতিবেদক ॥ বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার পতিহার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগে অনিয়ম করার অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ১১ জনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রবিবার আগৈলঝাড়া সহকারী জজ আদালতের বিচারক শুনানী শেষে আগামী ২১ দিনের মধ্যে এ কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, পতিহার গ্রামের বাসিন্দা ও নিয়োগ প্রার্থী মিলন নাগ মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় বিদ্যালয়ে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত নির্জ্জল চক্রবর্তী, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রাথমিক শিক্ষা বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা হিসাব রক্ষক কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদে সকলকে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে। সূত্র মতে, ২০১৪ সালের ৩০জানুয়ারী আগৈলঝাড়া উপজেলার ৭নং পরিহার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রচার করলে তাতে প্রার্থী হিসেবে মিলন নাগ আবেদন করেন। ২০১৪ সালের ৩জুন মৌখিক পরীক্ষায় মিলন নাগ ১৫.৬৬ পেয়ে ১ম, সঞ্জয় কুমার সোম ১১.৬৬ পেয়ে ২য় স্থান ও নির্জ্জল চক্রবর্তী ১০ নম্বর পেয়ে ৩য় স্থান অধিকার করায় ফলাফল তালিকা প্রদান করেন। ২০১৪ সালের ১৬জুন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওই তালিকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে প্রেরণ করেন। কিন্তু ২০১৮ সালে ২৩ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্বের তালিকা উপেক্ষা করে মিলন নাগকে ১১নং ক্রমিকে দেখিয়ে নির্জ্জল চক্রবর্তীকে প্রথম দেখিয়ে প্যানেল প্রস্তুত করে নিয়োগ দেয়ার সুপারিশ করায় মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রার্থী মিলন নাগ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com