শনিবার, ১২ Jun ২০২১, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালের নলুয়া-বাহেরচর সেতু নির্মাণ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন বোরহানউদ্দিনে মৎস্য বিভাগের অভিযানে গলদা চিংড়ির রেণু আটক কলাপাড়ায় দুই মোটর সাইকেল ছিনতাইকারী গ্রেফতার আগৈলঝাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা সাহান আরা আবদুল্লাহ’র মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মিলাদ আগৈলঝাড়ায় অপহরণের দশ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃতা স্কুল ছাত্রী আগৈলঝাড়ায় স্বাস্থ্যকর্মীর হাতে শ্লীলতাহানীর শিকার এক কলেজ ছাত্রী ঝালকাঠিতে গৃহবধু ধর্ষণ র‌্যাবের হাতে দুই যুবক গ্রেফতার শহীদ জননী সাহান আরা আবদুল্লাহ’র মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া-মিলাদ অব্যাহত গৌরনদীতে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার ঝালকাঠিতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
দৃষ্টি কাড়ছে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’

দৃষ্টি কাড়ছে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’

দখিনের খবর ডেক্স ॥ ব্যানানা ম্যাঙ্গোর আদি নিবাস থাইল্যান্ড। ২০১৪ সালে মেহেরপুরের বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টারের তৎকালীন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সঞ্চয় কুমার কয়ালদার এ আমের জাত মেহেরপুরে নিয়ে আসেন। বর্তমানে মেহেরপুরের বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনায় শোভা পাচ্ছে ম্যাঙ্গো ব্যানানা জাতের আম। আগামী দুই চার বছরের মধ্যে জেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এ আমচাষ করা হবে বলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্মকর্তা জানান। এ আমটি স্বাদ, গন্ধ এবং সময় বিবেচনায় খুব আশাব্যঞ্জক। এছাড়া এটি নাবি জাতের এবং বিদেশে রপ্তানি-যোগ্য হওয়ায় এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে প্রচুর।
বাড়ির ছাদে ম্যাঙ্গো ব্যানানা চাষ করা হাজি একরামুল হক জানান, ২০১৫ সালে তিনি জেলার বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টার থেকে দুটি চারা নিয়ে আসেন। পরের বছর থেকে টবে লাগানো একেকটি গাছে আগস্টের দিকে ৪০ থেকে ৫০টি করে আম পাচ্ছেন। মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আখতারুজ্জামান জানান, নাবি জাতের এ আমের আকার কলার মতো লম্বা হওয়ার জন্য মূলত একে ‘ব্যানানা’ আম বলা হয়। এটি দেখতে আর্কষণীয়, স্বাদে ও গন্ধে অনন্য। এটি পাকলে কমলা হলুদ হয়। এছাড়া আমটির চাষ পদ্ধতি সহজ। একে যেকোনো স্থানে যেমন ছাদে, পতিত জায়গায়, বাড়ির আশপাশে চাষ করা যায়। এছাড়া আমটি লেট ভ্যারাটি নামেও পরিচিতি পেয়েছে। কারণ আমটি জুলাই আগস্টে পাকে। বর্তমানে জেলা কৃষি বিভাগ এবং বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টার এ পর্যন্ত হাজার তিনেক চারা বিতরণ করেছে। আগামী বছর চারেকের মধ্যে এ আমটির চাষ আরও সম্প্রসারিত হয়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ হবে। আগস্ট মাস আমের দুষ্প্রাপ্যতার মাস। এ সময় আমটি পাকার কারণে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে চাষি। -বাসস

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com