সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৬:২৯ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
দুই মাদক ব্যবসায়ীর হামলায় দখিনের খবরের নির্বাহী সম্পাদকসহ আহত ২ বরিশালের তিন জেলার পতিত জমিকে চাষের আওতায় আনা হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে দালালী করবে সেই সব জাতীয় দালালদের চিহ্নিত করে রাখার আহবান-তারেক রহমান বানারীপাড়া বাইশারী ইউনিয়নে ইফতার মাহফিল ও দোয়া মোনাজাতে এমপি মোঃ শাহে আলম বরিশাল নগরীতে বসবাসকারী নাসির জমাদ্দার বাকেরগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি, জেলাসহ হাইকমান্ডে সভাপতি ও সম্পাদকের বিরুদ্ধে ৩০ নেতার অভিযোগ হৃদরোগে আক্রান্ত সাংবাদিক সোহেল সানি আবারো হাসপাতালে মানুষ ক্রমে নীতিজ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ছে! স্বামী ঘরে ফিরে দেখেন হাত-মুখ বেধে স্ত্রীকে ধর্ষণ করছে প্রতিবেশী লালমোহনের কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একের পর এক দূর্নীতির চিত্র বেড়িয়ে আসছে বানারীপাড়ায় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় করোনার গনটিকা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত 
দৃষ্টি কাড়ছে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’

দৃষ্টি কাড়ছে ‘ব্যানানা ম্যাঙ্গো’

দখিনের খবর ডেক্স ॥ ব্যানানা ম্যাঙ্গোর আদি নিবাস থাইল্যান্ড। ২০১৪ সালে মেহেরপুরের বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টারের তৎকালীন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সঞ্চয় কুমার কয়ালদার এ আমের জাত মেহেরপুরে নিয়ে আসেন। বর্তমানে মেহেরপুরের বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনায় শোভা পাচ্ছে ম্যাঙ্গো ব্যানানা জাতের আম। আগামী দুই চার বছরের মধ্যে জেলায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এ আমচাষ করা হবে বলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্মকর্তা জানান। এ আমটি স্বাদ, গন্ধ এবং সময় বিবেচনায় খুব আশাব্যঞ্জক। এছাড়া এটি নাবি জাতের এবং বিদেশে রপ্তানি-যোগ্য হওয়ায় এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে প্রচুর।
বাড়ির ছাদে ম্যাঙ্গো ব্যানানা চাষ করা হাজি একরামুল হক জানান, ২০১৫ সালে তিনি জেলার বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টার থেকে দুটি চারা নিয়ে আসেন। পরের বছর থেকে টবে লাগানো একেকটি গাছে আগস্টের দিকে ৪০ থেকে ৫০টি করে আম পাচ্ছেন। মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আখতারুজ্জামান জানান, নাবি জাতের এ আমের আকার কলার মতো লম্বা হওয়ার জন্য মূলত একে ‘ব্যানানা’ আম বলা হয়। এটি দেখতে আর্কষণীয়, স্বাদে ও গন্ধে অনন্য। এটি পাকলে কমলা হলুদ হয়। এছাড়া আমটির চাষ পদ্ধতি সহজ। একে যেকোনো স্থানে যেমন ছাদে, পতিত জায়গায়, বাড়ির আশপাশে চাষ করা যায়। এছাড়া আমটি লেট ভ্যারাটি নামেও পরিচিতি পেয়েছে। কারণ আমটি জুলাই আগস্টে পাকে। বর্তমানে জেলা কৃষি বিভাগ এবং বারাদি হর্ট্টিকালচার সেন্টার এ পর্যন্ত হাজার তিনেক চারা বিতরণ করেছে। আগামী বছর চারেকের মধ্যে এ আমটির চাষ আরও সম্প্রসারিত হয়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ হবে। আগস্ট মাস আমের দুষ্প্রাপ্যতার মাস। এ সময় আমটি পাকার কারণে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে চাষি। -বাসস

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published.




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com