রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীপুরে নদীভাঙন অর্ধেকে কমে এসেছে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে সকল ধরনের অশ্লীলতা বন্ধের দাবীতে তৌহিদী জনতার বিক্ষোভ কমিশন না দেয়ার জন্য ডায়াগনস্টিক মালিকদের,সিটি মেয়রের কঠোর নির্দেশ বিশ্ব সাদাছড়ি দিবসে বরিশালে সুবর্ণ নাগরিকের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ শেবাচিম শাখা ইন্টার্ন ডাক্তার এসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ বরিশালে অষ্টমীতে হয়নি কুমারি পূজা, অঞ্জলিতে কুমারী কন্যারাদের ঢল ১৬৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী মুখার্জি বাড়ীর দুর্গা পুজা পরির্দশনে স্ব-পরিবারে বিভাগীয় কমিশনার অধ্যক্ষের বাসভবন ব্যবহারের অনুপযোগী প্রতিমাসে ভাড়া দিচ্ছেন ২৫ হাজার টাকা মহা অষ্টমীতে বরিশালে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত করোনার মধ্যেও সরকারের উন্নয়ন থেমে নেই : এমপি জ্যাকব
ক্ষুধা নির্মূলের লক্ষ অর্জন করতে প্রয়োজন পুষ্টিমান খাবারের নিশ্চয়তা প্রদান-কৃষি সচিব

ক্ষুধা নির্মূলের লক্ষ অর্জন করতে প্রয়োজন পুষ্টিমান খাবারের নিশ্চয়তা প্রদান-কৃষি সচিব

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥ ‘বরিশাল অঞ্চলে আউশ ধানের আবাদ বৃদ্ধি’ শীর্ষক দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালা গতকাল ব্রি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) যৌথ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মহাপরিচালক মীর নূরুল আলম, বিনার মহাপরিচালক ড. বীরেশ কুমার গোস্বামী এবং বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন। ব্রির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ডিএই; বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সাইনুর আজম খান, ব্রি’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, বিনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আবুল কালাম আজাদ, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ গোলাম মো. ইদ্রিস প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে খাদ্যশস্যের পরিমাণ দ্বিগুণ করতে হবে। এটি একটি চ্যালেন্স। তবে অসম্ভব নয়। অতিরিক্ত এ ফলন আমন ও আউশের মাধ্যমেই হতে পারে। এ বছরে আউশ ধানের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে ৪০ লাখ মে. টন। ভবিষ্যতে আরো বাড়ানোর দরকার হবে। লক্ষমাত্রা যেহেতু আপনারাই নির্ধারণ করেছেন, বাস্তবায়ন আপনাদেরই করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন ফলোআপ কার্যক্রম জোরদারকরণ। তিনি আরো বলেন, আমাদের বাণিজ্যিক কৃষিতে যেতে হবে। তবে ধান চাষে নির্দিষ্ট মাত্রায় না রেখে নয়। সচিব বলেন, ক্ষুধা নির্মূলের লক্ষ অর্জন করতে প্রয়োজন পুষ্টিমান খাবারের নিশ্চয়তা দেয়া। আর আমরা তা পারব অবশ্যই। অনুষ্ঠানে কৃষকসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দেড়শতাধিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com