শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০৩ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
বানারীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে যুবলীগের বৃক্ষ রোপন বানারীপাড়ায় প্লানবিহীন ভবন অপসারনের দাবীতে ব্যাবসায়ীদের মানববন্ধন বানারীপাড়ার সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম “কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি পদক-২০২১” পেয়েছেন মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী বানারীপাড়ার প্রবাসী হাবিবুর রহমান চালু হওয়ার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর দুই মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র হিজলায় ৬শত ৪৭ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ঝালকাঠিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ বরিশালে জবাইকৃত নিন্মমানের মহিষের মাংসসহ আটক ৩ মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বরিশালে ছাত্র সমাবেশ পটুয়াখালীর লাউকাঠী-লোহালিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত
পিরোজপুরের নান্দুহারের ভিপি সম্পত্তির উপর শকুনের দৃষ্টি ভূমি কর্মকর্তাদের বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা

পিরোজপুরের নান্দুহারের ভিপি সম্পত্তির উপর শকুনের দৃষ্টি ভূমি কর্মকর্তাদের বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি ॥ “জোর যার মুল্লুক তার ” আর সেই নীতি ব্যাবহার করে সুকৌশলে সরকারি ভিপি সম্পত্তির উপর বেআইনি ভাবে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি রোপিত গাছ কর্তন করে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে সর্ব মহল থেকে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বাখেরগঞ্জ জেলার আওতাধীন নান্দুহার মৌজার ৩২৬ খতিয়ান, ৩৮১ খতিয়ান ও ৩৮০ খতিয়ানের ৬৪/৬৫/৬৬/২৫৯/২৬১/৬৮/৭২/২৬৩/২৬৪/৭৩/৭৪/৬৯/২৬৬ দাগের মূল মালিক ছিলেন মনরঞ্জন সাহা ও রামধন গংরা । সরকারি তথ্য মতে ভিপি সম্পত্তির আওতায় আসে ১৯৮২ ও ১৯৮৪ সালে। সূত্র মতে ভিপি কেস নং ১২৩/৮২ সালের ভিপি ভুক্ত ১৫-৮৮ একর জমি। আবার অপর দিকে ভিপি কেস নং ১৩৯/৮৪ সনে ভিপি ভুক্ত ৩-১৫ একর জমি।এদিকে সরকারি ভিপি সম্পত্তি নিয়ে ১৯৮২ সাল থেকে শুরু হয় সভ্য সমাজের মধ্যে নোংরামির খেলা। তৎকালীন সময়ে ভিপি সম্পত্তির ডিসি আর নেয় নান্দুহার এলাকার মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, আঃ আলিম, ওদুদ তালুকদার, সালেক কবিরাজ ও মালেক কবিরাজ গংরা। স্থানীয় সূত্র মতে চলতি সময় পর্যন্ত এহেন ডিসিআরের শর্ত ও সকল সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে যা খুশি তাই করে যাচ্ছে ওদুদ তালুকদার ও আঃ হাই কবিরাজের নেতৃত্বে।। স্থানীয় সূত্র জানায় বিগত সময়ে সরকারি ভূমি অফিস থেকে ডিসি আর কাটলেও অদ্যবদি কোন রকম নিয়ম মানা হচ্ছে না। গায়ের জোরে ও ক্ষমতার দাপটে যা খুশি তাই করে যাচ্ছে যত্রতত্র ভাবে। সর্বশেষ ডিসিআর কাটে ২০১৭ সালে। আর এনিয়েও নানান প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে সুশীল সমাজের কাছে। এ ব্যাপারে উপজেলার বিজ্ঞ মহল মিডিয়াকে বলেন, এস এ পরছার তথ্য মতে ৩২৬ খতিয়ানের ১৩ টি দাগে মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৪ একর ২২ শতাংশ। অথচ অজ্ঞাত কারণে মূল মালিকের সম্পত্তি থেকে ১৯৮৪ সালে ১৫ একর ৮৮ শতাংশ ভিপি সম্পত্তির আওতায় আনা হয়। প্রশ্ন হল বাকী সম্পত্তি কেন ভিপি সম্পত্তির আওতায় আনা হলো না। তৎকালিন সময়ে কিছু অসৎ ভূমি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এজাতীয় অপকর্মে লিপ্ত থাকতে পারে বলে এলাকার অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।
এদিকে ভিপি সম্পত্তির উপর ভোগ দখলের সরকারি নিয়ম নীতির নির্দেশনা উপেক্ষা করে জোকের মতো সব কিছু চুষেচুষে খাচ্ছে। সরকারি ভূমি কর্মকর্তাদের বোকা বানিয়ে স্ব স্ব ভূমিখোররা লক্ষ লক্ষ টাকার পাহাড বানাচ্ছে। স্থানীয় সূত্র আরও জানায় জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে মাটি বিক্রি সহ গাজ বিক্রি ও পাকা ভবন করারও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও বিষয়টি সুকৌশলে এডিয়ে যান। পাশাপাশি স্থানীয় চেয়ারম্যানও বিষয়টি নিয়ে অবগত থাকলেও কোন ধরনের সুপরামর্শ দেয়নি। অপর দিকে স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে দিনের পর দিন ভূমি খোরদের পক্ষে থেকে দুর্নীতি করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য মতে সরকারের স্বার্থে ভিপি সম্পত্তির উপর বিশেষ নজরদারি দিলে সরকারের রাজস্ব খাতে অর্থকড়ি আসবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন। পাশাপাশি বেআইনি ভাবে ভূমিখোর সহ নিয়ম বহিঃভুত ভাবে ডিসিআর নেওয়া গংদের শাস্তির আওতায় আনা দরকার। এ ব্যাপারে উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা গণ মাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমরা ভিপি সম্পত্তির উপর জমি ডিসিআরের বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করবো। আসল বিষয় নিয়ে খতিয়ে দেখবো আসল বিষয়টি কি ?

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com