রবিবার, ১৩ Jun ২০২১, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
করোনার চেয়ে নির্বাচন বেশি গুরুত্বপূর্ণ: সিইসি প্রধানমন্ত্রী ঘরের চাবি হস্তান্তর করবেন ২০ জুন নগরীর বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা! কলাপাড়ায় উপকূলীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক কর্মসূচী কুয়াকাটায় নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মাছ ধরায় নৌ-পুলিশের হাতে ৪ ট্রলারসহ গ্রেফতার-১৬ জেলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন: রাজাপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সুদখোরদের গালিগালাজ, উৎপাত ও প্ররোচনায় গৌরনদীতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা আগৈলঝাড়ায় নিজের টাকায় গৈলা বাজারের খাজনা পরিশোধ করলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি আগৈলঝাড়ায় সাবেক পুলিশ সদস্যর বাড়ির গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে নলছিটি বাসষ্ট্যান্ড-থানার পুল সড়কের সংস্কার কাজ
ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ সাকিব, প্রথম হার দেখল মোহামেডান

ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ সাকিব, প্রথম হার দেখল মোহামেডান

ক্রীড়া ডেস্ক ॥ সাকিবের মোহামেডানের আমন্ত্রণে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শেখ জামালের রান ৫ উইকেটে ৮৫। সেখান থেকে একটি দল কত-ই বা করতে পারে! ৫.৬৬ ওভারপ্রতি রান তোলা শেখ জামালের রান লড়াকু কিছু হবে অনুমেয়। কিন্তু সোহান ও জিয়ার ছক্কা বৃষ্টিতে সব এলোমেলো। শেষ ৫ ওভারে তারা দুজন যোগ করলেন ৭৬ রান। ৭ ছক্কা ও ৫ চারে ৬২ রান-ই এলো বাউন্ডারি থেকে। রান রেট এক লাফে ৮.০৫। সব মিলিয়ে শেখ জামালের পুঁজি ৫ উইকেটে ১৬১ রান। সেই রান তাড়া করতে নেমে মোহামেডান অনেক লড়াইয়ের পরও ১৪৫ রানের বেশি করতে পারেনি। ১৬ রানের পরাজয়ে ঢাকা লিগে প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেল মোহামেডান। দুই ম্যাচ হারের পর জয়ে ফিরল শেখ জামাল। সাকিবের বোলিং পারফরম্যান্স দুর্দান্ত হলেও ব্যাটিং এবং অধিনায়কত্ব পুরোপুরি ফ্লপ। বল হাতে ১২ রানে ২ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাটিংয়ে মাত্র ২ রান করেন। এনামুলের বলে এগিয়ে বোল্ড হওয়ার আগে টানা তিন বল উইকেট ছেড়ে খেলতে চেয়েও কিছু করতে পারেননি। নিজের বোলিং ১১ ওভারে শেষ করেছেন। অথচ ওই সময়ে শেখ জামালের শেষের ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং বাকি ছিল। শুরুর আক্রমণের পর শেষের জন্য ওভার জমিয়ে রাখতে পারতেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। মোহামেডানের দুই স্পিনার সাকিব ও আসিফ দিয়েছেন ৩০ রান। তিন পেসার তাসকিন, আবু জায়েদ ও আবু হায়দার মিলিয়ে দিয়েছেন ১২৪ রান। শেখ জামালের ইনিংসের শুরুটা ছিল ধীর গতির। ওপেনার আশরাফুল ও সৈকত আলী ৬.৪ ওভারে মাত্র ৩০ রান তোলেন। আশরাফুল ২৪ বলে ১৫ রান করে সাকিবের বলে আউট হন। ওই ওভারেই সাকিব তুলে নেন ফারদীন হাসানের উইকেট। এরপর নাসির হোসেন (৯), সৈকত আলী (২০) ও ইলিয়াস সানী (৫) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। এরপরই পাল্টে যায় শেখ জামালের উইকেট। দলের চিত্র পাল্টানোর নায়ক সোহান ও জিয়া। তাদের অবিচ্ছিন্ন ৮০ রানের জুটিতে স্রেফ এলোমেলো সাকিবদের বোলিং আক্রমণ। মোহামেডান ১৫ রান তুলতেই হারায় ৪ উইকেট। ৩টি উইকেট নেন মোহাম্মদ এনামুল। পারভেজ হোসেন ইমন (০) ডানহাতি অফস্পিনারের বল মিস করে বোল্ড হন। এরপর সাকিব ও ইরফান শুক্কুরকেও বোল্ড হন এনামুল। আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান লিমনকে (১২) সাজঘরের পথ দেখান ইবাদত। চতুর্থ উইকেটে নাদিফ ও শামসুর ৪৮ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামলে নেন। কিন্তু তাদের জুটি ভাঙার পর আবার একই চিত্র। শামসুর (২৯) জিয়াউর রহমানের বলে সালাউদ্দিন শাকিলের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর ইনিংস শেষ পর্যন্ত মোহামেডানের ইনিংস একাই টেনেছেন নাদিফ। ৪৩ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৭ রান করেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এছাড়া শুভাগত হোম ১৩ ও আবু হায়দার ১৪ রান করেন। এনামুল ১৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে শেখ জামালের সেরা। ২ উইকেট নেন জিয়াউর রহমান। ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠেছে শেখ জামালের খোলনলচে পাল্টে দেওয়া সোহান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com