বৃহস্পতিবার, ১১ Jul ২০২৪, ০৩:১২ অপরাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
লালমোহনের কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একের পর এক দূর্নীতির চিত্র বেড়িয়ে আসছে

লালমোহনের কাশেম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একের পর এক দূর্নীতির চিত্র বেড়িয়ে আসছে

শামীম আহাম্মেদ, ভোলা ব্যুরো : ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার লর্ড হার্ডিজ্ঞ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের অবৈধ সম্পদের পাহাড় একের পর এক বেরিয়ে আসছে নানা অপকর্মের ফিরিস্তি। জানা গেছে, সরকারি সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার ও এলাকায় মানুষের ন্যায্য অধিকারের নামে প্রহসন করে কোটি কোটি  টাকা আত্মসাতের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। ভোলায় লালমোহনে লর্ড হার্ডিজ্ঞ ইউনিয়নে নামে-বেনামে কয়েক একর জমি রয়েছে তার।

জানা যায়, লর্ডহার্ডিজ্ঞ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জায়গায় দখল করে ভবন নির্মাণ।লর্ডহার্ডিজ্ঞ ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা ও সৈয়দাবাদ মহিলা দাখিল মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ও সুপারের মাধ্যমে জাল জালিয়াতি করে লক্ষ লক্ষ টাকা বানিজ্য করেন।মাদ্রাসার আয়-ব্যয়, ব্যাংক হিসাব, শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাসহ আরো কিছু বিষয় নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল।

এছাড়া, ১টি ব্রিকফিল্ড,লর্ডহার্ডিজ্ঞ বাজারে বহুতল ভবন,ভোলায় লালমোহনে লর্ড হার্ডিজ্ঞ ইউনিয়নে বিভিন্ন বাজারে বহু দোকান , এলাকায় ৭০ একর সম্পত্তি সহ নিজের আত্মীয় স্বজনের নামে কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় তৈরি করে।

ভোলায় লালমোহনে মেঘনা নদী সংলগ্ন লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে একটি প্রভাবশালী মহল। ফলে ঝূঁকির মধ্যে আছে বেড়িবাঁধের আশে পাশে আশ্রয় নেয়া কয়কে শতাধিক ভূমিহীন পরিবার। আসন্ন বর্ষায় মৌসুমে শহর রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়বে বলে আশংকা করছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যান এর নেতৃত্বে বেড়ি বাধেঁর মাটি কাটা হচ্ছে।
স্থানীয় লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বলেন, মাটি কাটার ফলে বেড়িবাঁধের কোন ক্ষতি হচ্ছে না। পরিত্যাক্ত বেড়িবাঁধের মাটি কাটা হচ্ছে। আর কিছু জমি হচ্ছে মালিকানা তাদের কাছ থেকে টাকা দিয়ে জমির মাটি কিনে নেয়া হচ্ছে।আমরা ইতিমধ্যে তাদের সাথে বসছি। অচিরেই তারা মাটি কাটা বন্ধ করবে বলে জানায়। এতে রাস্তার কিছু ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান।
এছাড়া যারা বেড়িবাঁধের পাশে ঝূঁকিতে আছে বলে জানিয়েছেন তাদেরকে গুচ্ছগ্রামে, আশ্রয়প্রকল্প স্থানতরীত করে স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করে দিবো।
উল্লেখ্য রওনক ব্রিকস লাইসেন্স নবায়ন নেই আর বাদি দুটির অবৈধভাবে কাঠ পুড়িয়ে ইট ভাটা পরিচালন করছে বলে জানাযায়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com