শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন

উপ-সম্পাদক :: দিদার সরদার
প্রধান সম্পাদক :: সমীর কুমার চাকলাদার
প্রকাশক ও সম্পাদক :: কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদক :: মাসুদ রানা
সহ-সম্পাদক :: এস.এম জুলফিকার
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক :: মামুন তালুকদার
নির্বাহী সম্পাদক :: সাইফুল ইসলাম
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক :: আবুল কালাম আজাদ
সংবাদ শিরোনাম :
কোস্টগার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণে কারেন্টজাল জব্দ বেলায়েত বাবলু’র পিতার মৃত্যুতে বিসিসি মেয়রের শোক সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ৩৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীতে র‌্যালি ও ছাত্র সমাবেশ ভোলার তজুমদ্দিনে মুজিববর্ষে পাকা ঘর পেল আঠারো গৃহহীন পরিবার ছাত্রলীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া সংগঠন -টেলিকনফারেন্সে এমপি শাওন তজুমদ্দিনে আটককৃত অবৈধ জালে রাতে আগুন তজুমদ্দিনে রজনী গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন কোন নিরীহ সাধারণ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয় – মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান সাংবাদিক বাবলুর বাবার মৃত্যুতে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের শোক প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছে বরিশাল বিভাগের ৮০ হাজার ৫৮৪ পরিবার
ভোলায় অর্থ বরাদ্দ না আসায় অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজ বন্ধ

ভোলায় অর্থ বরাদ্দ না আসায় অর্ধশতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজ বন্ধ

ভোলা প্রতিনিধি ॥ ভোলা জেলায় অর্থ বরাদ্দ না হওয়ায় এবং গত কয়েক বছরের ঠিকাদারদের পাওনা পরিশোধ না করায় অর্ধশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ প্রায় বন্ধ রয়েছে। করোনার জন্য এতদিন কাজ বন্ধ ছিল। এখন অর্থভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ বন্ধ থাকলে সরকারের শিক্ষা খাতের বড় উদ্যোগ ভেস্তে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঠিকাদাররা কাজ বন্ধ রেখেছেন। জেলার লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিন্স ইউনিয়নের জিএম হাই স্কুলে গিয়ে দেখা গেছে ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ রেখেছে। ঠিকাদার ছামাদ রবিন জানান, ৭০ লাখ টাকার কাজ শেষ করেছি। গত অর্থবছরে মাত্র ১০ লাখ টাকা পেয়েছি। এবছরে বরাদ্দ না আসায় কোনও বিল পাইনি। তাই কাজ বন্ধ রেখেছি। সব দফতরে বছরে কমপক্ষে চার বার ফান্ড আসে। এলজিইডিতে সেপ্টেম্বরে ফান্ড এসেছে আবার এই ডিসেম্বরেও উন্নয়ন কাজের ফান্ড এসেছে। অথচ শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগে চলতি অর্থবছরের ৬ মাস গেলেও কোনও ফান্ড আসেনি। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর ভোলা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, রাজস্ব খাতের আওতায় নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আওতায় ভোলা জেলায় ৫০-৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভবন নির্মাণ চলছে। চলতি অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনও অর্থ বরাদ্দ না হওয়ায় এবং বিগত কয়েক বছরের ঠিকাদারদের পাওনা পরিশোধ না করায় ভোলা জেলায় অর্ধশতাধিক স্কুল ভবন নির্মাণ কাজের মধ্যে অধিকাংশই বাস্তবায়ন বন্ধ রেখেছেন ঠিকাদাররা। প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতি প্রতিবেদনের সঙ্গে অর্থ বরাদ্দ চাওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের একাধিক প্রকৌশলী জানান, ডিপার্টমেন্টের প্রধান প্রকৌশলী পদের দায়িত্ব নিয়ে নানা রকম লবিং চলছে। সাবেক প্রধান প্রকৌশলী বুলবুল আকতার মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের অর্থ বরাদ্দ না চাওয়ায় অর্থ পাওয়া যায়নি। ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ স্থবির অবস্থায় রয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com