মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে জুলাই যোদ্বা শানু আকনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মেহেন্দিগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে জামাইয়ের হাতে স্ত্রী ও শাশুড়ি আহত! ভান্ডারিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ৪ লাখ টাকা খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ভান্ডারিয়ায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দুই আসনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ “শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড” পেলেন বানারীপাড়ার নুসরাত জেরিন বানারীপাড়ায় বর্ণীল আলোকসজ্জা ও জমজমাট আয়োজনে কার্তিক পূজা অনুষ্ঠিত বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত ইতিহাসের সর্ব বৃহত্তম নারী সমাবেশে রহমাতুল্লাহ বরিশালে রাত পোহালেই বিএনপি নেত্রী ফাতেমা রহমানের ঠিকানা প্রত্যান্ত অঞ্চল সংবাদ সম্মেলন করে কয়েকটি স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিরুধ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ আনলেন গৌরনদীর বিএনপি নেতা সজল সরকার
দুই বছর ধরে অপারেশন বন্ধ ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে

দুই বছর ধরে অপারেশন বন্ধ ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ঝালকাঠির মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে দুই বছর ধরে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ রয়েছে। ফলে গর্ভবতী মায়েদের সিজারের জন্য বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হচ্ছে। অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়,ঝালকাঠি সদর উপজেলায় অবস্থিত ২০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রায় দুই বছর ধরে অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক নেই। অপারেশন বন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ রয়েছে এখানকার অপারেশন থিয়েটার। ফলে রোগীদের সেবা নিতে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক অথবা বিভাগীয় শহর বরিশালে যেতে হয়। এতে একদিকে যেমন মোটা অংকে অর্থের প্রয়োজন হয়, অন্যদিকে মা ও গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়ে যায়। তাছাড়া দরিদ্রদের পক্ষে ২৫-৩০ হাজার টাকা জোগাড় করে অন্যত্র সেবা নেয়া দুঃসাধ্য। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক ডা. মো. আমির হোসাইন প্রায় দুই বছর আগে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। তার পরিবর্তে নতুন কোনো ডাক্তারও নিয়োগ দেয়া হয়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা স্বল্প আয়ের মানুষরা। মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা শারমীন সুলতানা জানান, গত আট মাস ধরে এখানকার চিকিৎসক মো. জোয়াহের আলীর কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। স্বল্প খরচে এই কেন্দ্রে প্রসব করানোর ইচ্ছা থাকলেও অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক না থাকায় দুঃশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে কর্মরত চিকিৎসক ডা. মো. জোয়াহের আলী জানান, আধুনিক সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসকের অভাবে এখানে সিজারিয়ান সেকশন বন্ধ রয়েছে। তবে এখানে রোগী দেখা ও নরমাল ডেলিভারির কাজ নিয়মিতই হচ্ছে। ঝালকাঠি পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. কামাল হোসেন জানান, সদর হাসপালের অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার এনে বর্তমান সঙ্কট নিরসনের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জনের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com